• facebook
  • twitter
  • youtube
Wednesday, 4 November, 2026

কর্মসংস্থান বাড়াতে শিল্পমহলে আর্থিক সুবিধা, মহিলা ও রূপান্তরকামীদের নিয়োগে বিশেষ ছাড়

এমএসএমই-র ক্ষেত্রে প্রতিটি ইউনিট অর্থবর্ষে সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ইপিএফের অর্থ ফেরত পেতে পারে। কারখানা চালুর পরে কর্মীদের বেতনের সঙ্গে প্রভিডেন্ট ফান্ডেও নিয়ম মেনে টাকা জমা দিতে হয় নিয়োগকর্তাকে। সরকার সেই খরচের একাংশ ফেরত দিলে সংস্থার আর্থিক বোঝা কমতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

কর্মসংস্থান বাড়াতে শিল্পমহলে আর্থিক সুবিধা, মহিলা ও রূপান্তরকামীদের নিয়োগে বিশেষ ছাড়

Photo: মহিলা ও রূপান্তরকামীদের নিয়োগে বিশেষ ছাড় (AI)

নিয়োগের পাশাপাশি রাজ্যে কাজের সুযোগও তৈরি করে দিতে হবে। নিয়োগের খরচ কমাতে তাই শিল্পসংস্থাগুলিতে আর্থিক সুবিধা দেওয়ার ব্যবস্থা রাখছে রাজ্য সরকারের প্রস্তাবিত নতুন শিল্পনীতিতে। মহিলা ও রূপান্তরকামীদের কর্মসংস্থানে বিশেষ গুরুত্বও দেওয়া হচ্ছে।

সংবাদমাধ্যমের সূত্র মারফত খবর নীতির খসড়া অনুযায়ী, অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্পসংস্থা বা এমএসএমই-কে (MSME) সরকার কর্মীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডে নিয়োগকর্তার জমা দেওয়া অর্থ ফেরত দেবে। অর্থাৎ ওই টাকা ভর্তুকি দেবে। এক্ষেত্রে কর্মীর শ্রেণি অনুযায়ী এই সহায়তার হার আলাদা হবে।

কোনও যোগ্য সংস্থা মহিলা বা রূপান্তরকামী কর্মী নিয়োগ করলে তাঁর জন্য সংস্থাকে যে ইপিএফ জমা দিতে হয়, সেখানে পুরোটা ফেরত পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এটি কর্মীর বেতন বা তাঁর নিজের পিএফের টাকা ফেরানোর প্রকল্প নয়। নিয়োগকর্তার ইপিএফের অবদানের ১০০ শতাংশ ফেরত দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে মহিলা ও রূপান্তরকামী কর্মীদের ক্ষেত্রে। অন্যদিকে, পুরুষ কর্মীদের ক্ষেত্রে ফেরানো হবে ৫০ শতাংশ। দুটো ক্ষেত্রেই এই সুবিধার মেয়াদ ১০ বছর।

বড় শিল্পসংস্থা এবং স্ট্র্যাটেজিক ও মেগা প্রকল্পের জন্য ইপিএফের খরচ ফেরানোর প্রস্তাব রয়েছে। ৫ বছর ধরে যোগ্য কর্মীদের জন্য নিয়োগকর্তার জমা দেওয়া অর্থের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ফেরানো হবে। এর জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক কর্মসংস্থান বজায় রাখতে হবে। নীতিতে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত এলাকায় অন্তত ২০০ জন। অন্য এলাকায় অন্তত ৪০০ জনকে সরাসরি কাজে রাখতে হবে।

এই শ্রেণির প্রতিটি ইউনিটের জন্য বছরে সহায়তার সর্বোচ্চ সীমা ১০ কোটি টাকা। এখানে মহিলা বা রূপান্তরকামী কর্মীদের জন্য ১০০ শতাংশ ফেরতের উল্লেখ নেই। এমএসএমই-র ক্ষেত্রে প্রতিটি ইউনিট অর্থবর্ষে সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ইপিএফের অর্থ ফেরত পেতে পারে। কারখানা চালুর পরে কর্মীদের বেতনের সঙ্গে প্রভিডেন্ট ফান্ডেও নিয়ম মেনে টাকা জমা দিতে হয় নিয়োগকর্তাকে। সরকার সেই খরচের একাংশ ফেরত দিলে সংস্থার আর্থিক বোঝা কমতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: হকার-মুক্ত থাকবে দিঘার সৈকতপাড়, কী পদক্ষেপ নিল পর্ষদ?

কর্মসংস্থানের সঙ্গে ছোট শিল্পের আধুনিকীকরণেও সাহায্যের প্রস্তাব রয়েছে। নতুন নীতিতে বিনিয়োগের পাশাপাশি নিয়োগ এবং শিল্পের আধুনিকীকরণ, এই দুই ক্ষেত্রেই খরচ কমানোর ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।