• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 31 October, 2026

আজ খাড়্গের বাসভবনের জ্ঞানেশ কুমারের ‘প্রতীকী ইমপিচমেন্ট’, কাল রামলীলা ময়দানে ‘চলো দিল্লি’ কর্মসূচি

শনিবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের নয়াদিল্লির বাসভনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতীকী ‘জনতার ইমপিচমেন্ট’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিরোধী নেতারা

আজ খাড়্গের বাসভবনের জ্ঞানেশ কুমারের ‘প্রতীকী ইমপিচমেন্ট’, কাল রামলীলা ময়দানে ‘চলো দিল্লি’ কর্মসূচি

File photo | ANI

বৃষ্টির কারণে কর্মসূচি পিছোলেও নির্বাচন কমিশনের (Gyanesh Kumar) বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া থেকে একচুলও পিছচ্ছে না ‘ইন্ডিয়া’ ব্লক। আজ অর্থাৎ শনিবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের নয়াদিল্লির বাসভনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতীকী ‘জনতার ইমপিচমেন্ট’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিরোধী নেতারা। ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগ এবং এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার প্রতিবাদে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এর পর রবিবার রামলীলা ময়দানে (Ramlila Maidan) সভার ডাক দিয়েছে বিরোধী জোট।

শুক্রবার সকাল ১০টায় ১০, রাজাজি মার্গে এই কর্মসূচি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাজধানীতে একটানা বৃষ্টির কারণে তা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। খাড়্গের বাসভবনে বিরোধী নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর কর্মসূচি পিছিয়ে দেওয়ার কথা জানান লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। তিনি বলেন, বৃষ্টির মধ্যে প্রবীণ নেতাদের বাইরে বসে থাকতে অসুবিধা হতে পারে। তাই সকলের সম্মতিতেই কর্মসূচি শনিবার একই সময়ে করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। শুক্রবার খাড়্গের বাসভবনে উপস্থিত ছিলেন প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা, কে সি বেণুগোপাল, জয়রাম রমেশ এবং পবন খেড়ার মতো কংগ্রেস নেতারা।

কী অভিযোগ বিরোধীদের?

এসআইআর নিয়ে বিরোধীদের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগের যথাযথ জবাব দিচ্ছে না বলে সরব বিরোধীরা। সূত্রের খবর, শনিবারের প্রতীকী ইমপিচমেন্ট কর্মসূচি অনেকটা সংসদীয় অধিবেশনের ধাঁচে আয়োজন করা হতে পারে। প্রাক্তন লোকসভার স্পিকার মীরা কুমার এই পর্বে সভাপতিত্ব করতে পারেন। বিরোধী দলগুলির প্রতিনিধিরা সেখানে বক্তব্য রাখবেন বলেও জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন: রামলীলা ময়দানে সভার ছাড়পত্র মিললেও মিছিলে আপত্তি পুলিশের! রামলীলায় জমায়েতের ডাক দীপকে-নেহার

প্রতীকী ইমপিচমেন্টে কি সরানো সম্ভব সিইসি-কে?

সংবিধান অনুযায়ী, জনসমাবেশে বা রাজনৈতিক দলের উদ্যোগে আয়োজিত কোনও প্রতীকী ইমপিচমেন্টের মাধ্যমে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে (Gyanesh Kumar) পদ থেকে সরানো যায় না। সংবিধানের ৩২৪(৫) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিকে অপসারণের জন্য যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর ক্ষেত্রেও একই সাংবিধানিক প্রক্রিয়া প্রযোজ্য। সে ক্ষেত্রে সংসদের দুই কক্ষেই বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় প্রস্তাব পাশ করাতে হয়। ফলে বিরোধীদের শনিবারের কর্মসূচির কোনও সাংবিধানিক বা আইনি ক্ষমতা নেই। এর মূল উদ্দেশ্য রাজনৈতিক ও জনমত তৈরি করা।

আরও পড়ুন:  হ্যালোউইন ঘিরে নতুন করে অশান্তির আশঙ্কা ফ্রান্সে, ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েন

রবিবারের ‘দিল্লি চলো’ মিছিল আটকানোর অভিযোগ শাহের বিরুদ্ধে

এদিকে, রবিবারেক ডাকা মিছিলে যোগ দিতে বিভিন্ন রাজ্য থেকে বিরোধী সমর্থকদের দিল্লিতে আসার পথে বাধা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ল(Rahul Gandhi)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, হরিয়ানা, তেলঙ্গানা এবং পাঞ্জাব-সহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে কর্মী ও সাধারণ মানুষ যাতে দিল্লিতে পৌঁছতে না পারেন, তার জন্য চেষ্টা চলছে। বিরোধী দল, নাগরিক সংগঠন, সাংবাদিক এবং সাধারণ মানুষকে রবিবারের মিছিলে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাহুল।

রবিবার ‘চলো দিল্লি’ কর্মসূচি

শনিবারের এই কর্মসূচির পর আগামীকাল বিরোধীদের চলো দিল্লি কর্মসূচি রয়েছে। দুপুর ১২টায় কনট প্লেস-মিন্টো রোডের সংযোগস্থল থেকে মিছিল শুরু হয়ে রামলীলা ময়দানে পৌঁছনোর কথা। সেখানে বিরোধী নেতারা জনসভায় বক্তব্য রাখবেন।

দেখুন: