• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 24 October, 2026

নেহা বোরার আর্জি খারিজ দিল্লি হাই কোর্টে, ১০ হাজার টাকার বন্ড জমার নির্দেশ বহাল

ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে তাঁর কোনও ভূমিকা ছিল না। দিল্লি হাই কোর্টে এই দাবি জানিয়েও স্বস্তি পেলেন না নেহা বোরা। তাঁর আবেদন

নেহা বোরার আর্জি খারিজ দিল্লি হাই কোর্টে, ১০ হাজার টাকার বন্ড জমার নির্দেশ বহাল

Image: SNS

ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে তাঁর কোনও ভূমিকা ছিল না। দিল্লি হাই কোর্টে এই দাবি জানিয়েও স্বস্তি পেলেন না নেহা বোরা। তাঁর আবেদন খারিজ করে দিল আদালত। ফলে স্পেশ্যাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ অনুযায়ী, শান্তি বজায় রাখার মুচলেকা দেওয়ার পাশাপাশি ১০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডও জমা দিতে হবে তাঁকে।

গত ১৬ অক্টোবর ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভের আগে আটক করা হয়েছিল নেহাকে। পরে অবশ্য তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার মতো তাঁকে প্রতিরোধমূলক গ্রেফতার করা হয়নি। তবে মুক্তির পরেও দিল্লির স্পেশ্যাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের তরফে নোটিস পাঠানো হয় নেহাকে। সেই নোটিসে ১০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ড জমা দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে শান্তি বজায় রাখার অঙ্গীকার করে মুচলেকা দিতে বলা হয় তাঁকে। তাঁর বিরুদ্ধে শান্তিভঙ্গ এবং আইনবিরুদ্ধ জমায়েতে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

ম্যাজিস্ট্রেটের সেই নোটিসকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন নেহা। তাঁর আইনজীবী গোপাল সুব্রহ্মণ্যম আদালতে দাবি করেন, ১৬ অক্টোবরের বিক্ষোভে নেহার কোনও ভূমিকা ছিল না। তিনি কোনও আইন ভাঙেননি, এমনকী শান্তিভঙ্গেরও চেষ্টা করেননি। আইনজীবীর বক্তব্য, নেহার বিক্ষোভে কোনও ভূমিকা না থাকায় তাঁকে মাত্র ১৫-১৬ মিনিট আটক রাখার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।

অন্যদিকে, নেহার এই দাবির বিরোধিতা করে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সরকার। তাদের অভিযোগ, প্রকাশ্যে বারবার সরকার বদলের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নেহা। জমায়েত ও বিক্ষোভে উসকানি দেওয়ার অভিযোগও ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। নিজেদের বক্তব্যের সমর্থনে একাধিক ভিডিয়ো এবং সমাজমাধ্যমে করা পোস্ট আদালতে পেশ করে সরকারপক্ষ।

দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পর নেহার আবেদন খারিজ করে দেয় দিল্লি হাই কোর্ট। আদালত জানিয়ে দেয়, নিজের বক্তব্য ও আপত্তি জানাতে হলে তাঁকে স্পেশ্যাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছেই যেতে হবে। তবে নেহার বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ রয়েছে এবং সেই সংক্রান্ত কী কী নথি পেশ করা হয়েছে, তা তাঁকে জানাতে হবে বলেও ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতকে নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট।

ফলে আপাতত ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ মেনেই চলতে হবে নেহাকে। শান্তি বজায় রাখার মুচলেকা দেওয়ার পাশাপাশি জমা দিতে হবে ১০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ড। দিল্লি হাই কোর্টে আবেদন জানিয়েও সেই নির্দেশ থেকে রেহাই পেলেন না তিনি।