• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 10 October, 2026

দুর্গাপুজোয় দুঃস্থ শিশুদের মুখে ফুটবে হাসি, পুজো পরিক্রমা নিয়ে বিশেষ উদ্যোগ আদানি গোষ্ঠীর

সারা বছর ধরে আর্ট ওয়ার্কশপ, পুজো আর্ট অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স, পারফর্মিং আর্টস এবং রাইটার্স বিল্ডিং ও কুমোরটুলি ঘাটের মতো ঐতিহাসিক স্থানগুলির সংস্কার করবে আদানি গোষ্ঠী।

দুর্গাপুজোয় দুঃস্থ শিশুদের মুখে ফুটবে হাসি, পুজো পরিক্রমা নিয়ে বিশেষ উদ্যোগ আদানি গোষ্ঠীর

Photo: দুর্গাপুজোয় দুঃস্থ শিশুদের মুখে ফুটবে হাসি (AI)

রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে চলতি বছরের দুর্গাপুজোকে ঘিরে রাজ্য-রাজনীতিতে জোর চর্চা চলছে। এর মধ্যে পুজোর চেনা ছবিকে বদলে দিতে বিশেষ উদ্যোগ নিল আদানি গোষ্ঠী। মহালয়ায় আদানি পুজো প্রিভিউ-এর সূচনার মাধ্যমে বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক নিবিড় সম্পর্কের বার্তা দিল এই সংস্থা। এবার কলকাতার বহু দুঃস্থ শিশুদের পুজো মণ্ডপে ঘোরানোর ব্যবস্থা করেছে আদানি গোষ্ঠী। সেই সঙ্গে সংস্থার পক্ষ থেকে ৩৫৬ জন শিশুর হাতে ৫০০ টাকা করে তুলে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

আগামী বেশকিছু বছরের জন্য বিশাল সাংস্কৃতিক ও সামাজিক বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে সংস্থা। আদানি গোষ্ঠীর তরফে জানানো হয়েছে, বাংলার সংস্কৃতির বিকাশ, কারিগরদের ক্ষমতায়ন এবং হেরিটেজ স্থানগুলির পুনরুদ্ধার তাদের প্রধান লক্ষ্য। তবে সারা বছর ধরে আর্ট ওয়ার্কশপ, পুজো আর্ট অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স, পারফর্মিং আর্টস এবং রাইটার্স বিল্ডিং ও কুমোরটুলি ঘাটের মতো ঐতিহাসিক স্থানগুলির সংস্কার করবে আদানি গোষ্ঠী।

আগামী কয়েকদিনের মধ্যে শহরের একাধিক পুজো মণ্ডপ কুষ্ঠরোগাক্রান্ত শিশু, দৃষ্টিহীন, গৃহহীন ব্যক্তি, অটিস্টিক, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু, যৌনকর্মী এবং আদিবাসী পড়ুয়াদের ঘুরিয়ে দেখানো হবে। শিল্প ও সংস্কৃতির সঙ্গে পুজোর আনন্দের আলো সমাজের প্রান্তিক স্তরে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।

আরও পড়ুন: মায়ের ‘ভুলে’ মেয়ের অধিকারে কোপ নয়, মানবিকতার নজির হাইকোর্টের

পুরো পুজো পরিকল্পনা ও সামাজিক উদ্যোগের মূল দায়িত্বে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত আইএএস সঞ্জয় খাড়ে। তিনি বর্তমানে আদানি গোষ্ঠীর বাংলার প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন। আগামী ১০-১২ অক্টোবর পর্যন্ত এই কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সহায়তায় দৃষ্টিহীন, অটিস্টিক, আশ্রয়হীন ও গৃহহীন মানুষ, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও নিউরোডাইভারজেন্ট শিশু, বিধবা মহিলা, কুষ্ঠরোগাক্রান্ত পরিবারের সদস্য, আদিবাসী পড়ুয়া, যৌনকর্মী এবং বহু-প্রতিবন্ধকতায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের শহরের বিখ্যাত মণ্ডপগুলি পুজো পরিক্রমা করানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।