শুক্রবার গোল করেই মাঠ ছাড়তে হয়েছিল কিলিয়ান এমবাপেকে। এ বার জানা গেল, ফ্রান্সের হয়ে নেশনস্ লিগের ম্যাচে চোট পাওয়া তারকার বাঁ হাঁটুর পিছনের অংশে হাইপারএক্সটেনশন হয়েছে। শনিবার রিয়াল মাদ্রিদের মেডিক্যাল বিভাগ পরীক্ষার পরে এই চোটের কথা জানিয়েছে। ফলে আগামী ম্যাচগুলিতে ফরাসি তারকার খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়।
শুক্রবার তুরস্কের বিরুদ্ধে নেশনস্ লিগের ম্যাচে ১-০ গোলে জিতেছিল ফ্রান্স। একমাত্র গোলটি করেছিলেন এমবাপে। গোল করার পরেই হাঁটুতে সমস্যা অনুভব করেন তিনি। চিকিৎসার পরে কিছু ক্ষণের জন্য মাঠে ফিরলেও ফের মাটিতে বসে পড়েন। শেষ পর্যন্ত ৫৮ মিনিটে তাঁকে তুলে নেন ফ্রান্সের নতুন কোচ জিনেদিন জিদান।
ম্যাচের পর এমবাপের হাঁটু ফুলে যায়। পরিস্থিতি দেখে ঝুঁকি না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ফ্রান্সের টিম ম্যানেজমেন্ট। জিদান বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনক ভাবে পরিস্থিতি ভাল মনে হচ্ছে না। আমার মনে হয়, ওকে ফিরে যেতে হবে। আমরা কোনও ঝুঁকি নিতে চাই না। ওর হাঁটু ফুলে গিয়েছে। এটা উৎসাহ দেওয়ার মতো বিষয় নয়, তাই আমরা কোনও ঝুঁকি নেব না’।
প্রথমে ফরাসি ফুটবল ফেডারেশন জানিয়েছিল, এমবাপের হাঁটুর টেনডনে চোট রয়েছে। তার পর আরও পরীক্ষা করানোর জন্য তাঁকে মাদ্রিদে ফেরানো হয়। রিয়াল মাদ্রিদের মেডিক্যাল বিভাগ পরীক্ষার পরে জানায়, তাঁর বাঁ হাঁটুর পোস্টেরিয়র ক্যাপসুলে হাইপারএক্সটেনশন হয়েছে।
ক্লাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আজ আমাদের খেলোয়াড় কিলিয়ান এমবাপেকে রিয়াল মাদ্রিদের মেডিক্যাল সার্ভিস যে পরীক্ষা করেছে, তাতে তাঁর বাঁ হাঁটুর পোস্টেরিয়র ক্যাপসুলে হাইপারএক্সটেনশন ধরা পড়েছে’।
এই চোটের ফলে ফ্রান্সের আসন্ন নেশনস্ লিগের ম্যাচগুলিতেও এমবাপেকে পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে রিয়াল মাদ্রিদের পরের লা লিগা ম্যাচ নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। ১০ অক্টোবর ভিয়ারিয়ালের বিরুদ্ধে খেলবে রিয়াল। সেই ম্যাচের আগে এমবাপে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন কি না, এখন সেটাই দেখার।
ফ্রান্সের অধিনায়ক এমবাপের চোটে তাই একসঙ্গে চিন্তায় তাঁর দেশ এবং ক্লাব— বিশেষ করে মরসুমের গুরুত্বপূর্ণ পর্বে তাঁর অনুপস্থিতি কতটা প্রভাব ফেলবে, এখন সেই প্রশ্নই ঘুরছে ফুটবল মহলে।




