• facebook
  • twitter
  • youtube
Thursday, 17 September, 2026

পাতিয়ালা-পুণেতে ৩ ভুয়ো কল সেন্টারের হদিশ, ২২০ কর্মীকে চিহ্নিত করল ইডি

পাতিয়ালার একটি কেন্দ্র ডিডব্লু ওয়েব সলিউশনসের মাধ্যমে চলত বলে অভিযোগ। সেখানে ফ্লাইং ফেদার্স নামে আরও একটি সংস্থার সঙ্গেও তল্লাশি চালানো হয়। ২টি জায়গা থেকে কম্পিউটার, ওয়ার্কস্টেশন, কিউবিকল, হেডসেট, মোবাইল ফোন ও নেটওয়ার্কিং সরঞ্জাম উদ্ধার হয়েছে।

পাতিয়ালা-পুণেতে ৩ ভুয়ো কল সেন্টারের হদিশ, ২২০ কর্মীকে চিহ্নিত করল ইডি

File Photo

ফোন করে নানা মিথ্যে অজুহাত। তারপর কথার জালে ফাঁসিয়ে মার্কিন নাগরিকদের কাছ থেকে টাকা আদায়। এভাবেই চলছিল প্রতারণার কারবার। পাতিয়ালা, পুণে ও চণ্ডীগড়ে তল্লাশি চালিয়ে এমনই একটি চক্রের হদিস পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি ইডির। তদন্তকারীদের দাবি, ৩টি ভুয়ো কল সেন্টারে প্রায় ২২০ জন কর্মী এই প্রতারণার কাজে যুক্ত ছিলেন। ৪টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে একাধিক ডিজিটাল ডিভাইসও বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

ইডির হায়দরাবাদ আঞ্চলিক দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, মার্কিন নাগরিকদের প্রতারণা করে টাকা আদায়ের অভিযোগে এই চক্রের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। পাতিয়ালায় ২টি এবং পুণেতে ১টি কল সেন্টারের সন্ধান মেলে। হর্ষল রাভাল ও রবি রাম্পিকে এই চক্রের মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করেছে ইডি।

তদন্তকারীদের দাবি, পূর্বনির্ধারিত ফোন কলের মাধ্যমে মার্কিন নাগরিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হত। তারপর বিভিন্ন মিথ্যে কারণ দেখিয়ে তাঁদের টাকা দিতে রাজি করানো হত। পাতিয়ালার একটি কেন্দ্র ডিডব্লু ওয়েব সলিউশনসের মাধ্যমে চলত বলে অভিযোগ। সেখানে ফ্লাইং ফেদার্স নামে আরও একটি সংস্থার সঙ্গেও তল্লাশি চালানো হয়। ২টি জায়গা থেকে কম্পিউটার, ওয়ার্কস্টেশন, কিউবিকল, হেডসেট, মোবাইল ফোন ও নেটওয়ার্কিং সরঞ্জাম উদ্ধার হয়েছে।

চণ্ডীগড়ের একটি আবাসনেও তল্লাশি চালায় ইডি। তদন্তকারীদের দাবি, সেখান থেকেই পাতিয়ালার কেন্দ্রগুলির কাজকর্ম নিয়ন্ত্রণ করতেন চক্রের মূল পরিকল্পনাকারী। ওই বাড়ি থেকে ৬৬টি মোবাইল ফোন, ১৩টি ল্যাপটপ, হার্ড ডিস্ক, নগদ টাকা ও নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। মার্কিন ডলারকে ভারতীয় মুদ্রায় বদল করে এই চক্রের টাকা লেনদেনে সাহায্য করতেন এমন এক ব্যক্তিরও সন্ধান মিলেছে বলে জানিয়েছে ইডি।

আরও পড়ুন: আচমকা স্ট্রোক জিনপিং-এর! শুরু জল্পনা, বিশ্বজুড়ে তোলপাড়

বাজেয়াপ্ত ডিভাইসের তথ্য খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। কলের স্ক্রিপ্ট, স্বয়ংক্রিয় ফোনের ব্যবস্থা, ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফোন করার ব্যবস্থা, ভুক্তভোগীদের তথ্য এবং টাকা লেনদেনের পদ্ধতি খতিয়ে দেখে চক্রের সঙ্গে যুক্তদের ও অর্থের উৎসের সন্ধান চালানো হচ্ছে।