পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্য পুলিশের কয়েকজন আধিকারিকের বিরুদ্ধে ইডির দায়ের করা মামলার ফের শুনানি সুপ্রিম কোর্টে। রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাক (I-PAC)-এর দপ্তরে তল্লাশি চালাতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ার অভিযোগ ওঠে মমতা-সহ পুলিশ কর্তাদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার ফের সুপ্রিম কোর্টে সেই মামলারই শুনানি হতে পারে।
ইডি-র অভিযোগ, আইপ্যাক-এর দপ্তরে তল্লাশি অভিযানের সময় রাজ্য পুলিশ এবং প্রশাসনের তরফে তদন্তে বাধা দেওয়া হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ কয়েক জন পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। ফলে ফের এক বার শীর্ষ আদালতের নজরে রাজ্য সরকার, পুলিশ প্রশাসন এবং ইডি-র সংঘাত। তল্লাশি অভিযানে আদৌ কোনও ভাবে বাধা দেওয়া হয়েছিল কি না, এবং সেই ঘটনায় রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বা পুলিশ আধিকারিকদের ভূমিকা ঠিক কী ছিল, তা নিয়ে শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠতে পারে।
আইপ্যাক-কে ঘিরে এই মামলায় আগেই রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে ইডি-র অভিযোগ কতটা গ্রহণযোগ্যতা পায়, সেই দিকেই নজর রয়েছে আইনজীবী মহলের একাংশের।
আরও পড়ুন: ২০১১ থেকে ভোটার কার্ডে নেওয়া সব জাতিগত শংসাপত্রে পুনঃযাচাই, হাইকোর্টে বড় ধাক্কা রাজ্যের
ইডি এর আগে নিজেদের আবেদনে দাবি করেছিল, তল্লাশির জায়গায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি এবং নথি সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা তদন্তকারী আধিকারিকদের উপরে ভয়ের প্রভাব ফেলেছিল। এটি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার স্বাধীনভাবে আইনানুগ দায়িত্ব পালনের ক্ষমতাকে ব্যাহত করেছে। সুপ্রিম কোর্টে ইডির এই আবেদনটি ৪ জানুয়ারির ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে করা হয়। সংস্থার বিরুদ্ধে কয়েক কোটি টাকার কয়লা পাচার কেলেঙ্কারির তদন্তে আইপ্যাকে তল্লাশি চালিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-র আধিকারিকরা।




