প্রকাশ্যে প্রস্রাব করতে বাধা দেওয়ায় মৃত্যু হল এক দোকানদারের (Shopkeeper killed)। একদল যুবক ওই ব্যক্তির উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। মৃত দোকানদারের নাম অমিত কুমার। বয়স ৪৭ বছর। ঘটনাটি ঘটেছে কানপুরের কাকাদেব থানা এলাকার ওম চৌরাহার কাছে।
রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন অমিত। সেই সময় দেখতে পান একদল যুবক প্রকাশ্যে মদ্যপান করছে। তাঁদের মধ্যে একজন রাস্তার মাঝখানে প্রস্রাব করছিল। অমিত তাঁকে বাধা দিলে বচসা শুরু হয়। এরপর ওই যুবকেরা তাঁকে ঘিরে ধরে মারধর করে বলে অভিযোগ।
আরও পড়ুন: ‘মুখে ঘুষি, লাথি’, মণিপুরী সঙ্গীতশিল্পী খুনে FIR-এ উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
সিসিটিভিতে ধরা পড়ল হামলার ছবি
ঘটনাস্থলের কাছে থাকা একটি সিসিটিভি ক্যামেরায় পুরো হামলার ঘটনা ধরা (Shopkeeper killed) পড়েছে। পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের দাবি, হামলার আগে অভিযুক্তরা অমিতকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে। হামলাকারীরা ইট ও পাথর দিয়ে বার বার অমিতের মাথায় আঘাত করে বলে অভিযোগ (Shopkeeper killed)।
স্থানীয় কয়েক জন বাসিন্দা তাঁকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে অভিযুক্তরা তাঁদেরও হুমকি দেয় এবং পাথর ছোঁড়ে। ফলে তাঁরা সেখান থেকে সরে যেতে বাধ্য হন। হামলার পর একটি গাড়িতে করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। গুরুতর আহত অবস্থায় অমিতকে (Shopkeeper killed) উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আরও পড়ুন: ‘জেলে থাকার মতোই জীবন’, দিল্লির অস্বাস্থ্যকর হস্টেল নিয়ে সরব পড়ুয়ারা
দু’দিন হাসপাতালে লড়াই করে মৃত্যু
প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসা শুরু হলে অবস্থার অবনতি হয়। তারপর তাঁকে অন্য একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। দু’দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর সোমবার রাতে গুরুতর মস্তিষ্কের আঘাতের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়।
অমিতের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর শোকস্তব্ধ (Shopkeeper killed) হয়ে পরে পরিবার। তাঁর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
অভিযুক্তদের খুঁজতে চারটি পুলিশ দল
কেন্দ্রীয় পুলিশের ডেপুটি কমিশনার অতুল শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন, কাকাদেব থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে চারটি বিশেষ পুলিশ দল গঠন করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি ব্যবহৃত গাড়িটি শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। প্রযুক্তিগত নজরদারিও শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন আধিকারিকরা।
দেখুন:




