রাজ্যে সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে যাদের নাম অ্যাডজুডিকেশনে ছিল তাঁদের ভাগ্য এখনও ঝুলেই থাকল। রাজ্যে আসন্ন পুরনিগম এবং পুরসভা নির্বাচনে আদপে তাঁরা কি তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, আদালতের থেকে নাম পাঠানো হলে সেই নাম কে ভোটার তালিকায় সংযুক্তিকরণ কাজ করা হবে। কিন্তু অ্যাডজুডিকেশনে যাদের নাম এখনও পর্যন্ত থেকে গিয়েছে তাঁরা কি রাজ্যের আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে ভোটাধিকার করতে পারবেন? এটাই এখন সবথেকে বড় প্রশ্নচিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজ্যের মানুষের কাছে।
কার্যনির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর আসন্ন পুরনিগমএবং পুরসভা নির্বাচন পরিচালনা করার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের দেওয়া ভোটার তালিকাই একমাত্র গ্রাহ্য হবে। দুর্গাপূজার আগেই সেই ভোটার তালিকা কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া হবে বলেই রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। একদিকে এলাকা বিন্যাস অন্যদিকে ভোটার তালিকা কে নতুন করে এলাকাভিত্তিক সাজিয়ে তারপরেই চূড়ান্ত পদক্ষেপ করবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর লক্ষ্মী পুজোর পরেই রাজ্যে আসন্ন পুরনিগম এবং পুরসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হতে পারে।
আরও পড়ুন: হাসিনাকে কি প্রত্যাবর্তন করা হবে? এ নিয়ে মুখ খুললেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী
আর সেই মোতাবেক ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহেই একলাতেই নির্বাচন করাতে চলেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি রাজ্যে সমাপ্ত হওয়া ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন যে প্রক্রিয়াতে সম্পন্ন করা হয়েছে ঠিক একইভাবে রাজ্যের আসন্ন পুরনিগম এবং পুরসভা নির্বাচন প্রক্রিয়াকে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এখন থেকেই রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তবে এক্ষেত্রে রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর রাজ্যের পুলিশ বাহিনী দিয়েই রাজ্যে আসন্ন পৌরসভা এবং পুরসভা নির্বাচন করাবে বলেই একরকম সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এখন দেখার বিষয় আদপে সুষ্ঠু অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে রাজ্যে আসন্ন পৌরসভা এবং পুরসভা নির্বাচন করাতে কতটা সক্ষম হয় রাজ্য নির্বাচন কমিশন।
দেখুন:সুকান্তকে পাশে নিয়ে ২ লক্ষ কাশির সিরাপ গুঁড়িয়ে দিলেন শুভেন্দু




