• facebook
  • twitter
  • youtube
Monday, 24 August, 2026

হাইকোর্টে সাময়িক স্বস্তি মহুয়া মৈত্রের, গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় মিলল স্থগিতাদেশ

মহুয়ার বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত কাজ, অপরাধমূলক ভয় দেখানো এবং বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখতে আদালত একাধিক বার হাজিরার নির্দেশ দেওয়ার পরেও তিনি উপস্থিত হননি।

হাইকোর্টে সাময়িক স্বস্তি মহুয়া মৈত্রের, গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় মিলল স্থগিতাদেশ

Mahua Moitra Photo-SNS

তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল কৃষ্ণনগর আদালত। এবার এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে সাময়িক স্বস্তি পেলেন মহুয়া। সোমবার হাইকোর্ট কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানাতে স্থগিতাদেশ দিল। হাইকোর্টের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিম্ন আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে কঠোর আইনি পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। ২৭ আগস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

রাজ্যের সরকারি কৌঁসুলি কল্লোল মণ্ডল সোমবার আদালতে জানিয়েছেন, মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে মহিলার শ্লীলতাহানি বা মর্যাদায় আঘাত করার উদ্দেশ্যে শব্দ, অঙ্গভঙ্গি বা আচরণ, বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা বা বিদ্বেষ ছড়ানো। এর পাশাপাশি মহুয়ার বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত কাজ, অপরাধমূলক ভয় দেখানো এবং বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখতে আদালত একাধিক বার হাজিরার নির্দেশ দেওয়ার পরেও তিনি উপস্থিত হননি।

এরই পরিপেক্ষিতে মহুয়া মৈত্রের উদ্দেশে সমন জারি করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি আদালতে হাজির না হওয়ায় বুধবার ১৮ আগাস্ট আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। বিচারপতি দেবাংশু বসাক মহুয়া মৈত্রের আইনজীবীকে প্রশ্ন করেন, ‘প্রাথমিক অভিযোগ হওয়ার পরে মহুয়া কেন যাননি?’ মহুয়া মৈত্রের আইনজীবী দেবাশিস রায় আদালতে জানান, ‘তৃতীয় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সেই এক্তিয়ার নেই। এমপি-এমএলএ আদালত করতে পারে। কারণ তিনি সাংসদ।’

বিচারপতি দেবাংশু বলেন, ‘এটা জামিনযোগ্য অপরাধে সামিল। আপনার যাওয়া দরকার।’ মহুয়া মৈত্রের আইনজীবী জানান, তিনি গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘মহুয়ার বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর বা পুলিশি অভিযোগ হয়নি। মহুয়া আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পরেই তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। আমি পুলিশের এই প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করছি। ১৬ জুন অপরপক্ষের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন: অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিতের বিরুদ্ধে কতগুলি এফআইআর? ডিজির রিপোর্ট তলব

বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ নিদের্শ দেন, আগামী ৩১ আগাস্ট বা পরবর্তী নির্দেশ না হওয়া পর্যন্ত নিম্ন আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে কঠোর আইনি পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। ২৭ আগাস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানি।