মৃত্যুই প্রকৃত সত্যি। আর তা আসবেই। কিন্তু কিভাবে আসবে তা জানে না কেউ। তাই এই নিয়ে অনেকের মনে অনেক ধারণা। তবে এই মৃত্যু আসে হঠাৎ করেই। আর কখনও কখনও হঠাৎ আসা মৃত্যু স্তম্ভিত করে দেয় লোকজনকে। যেমনটা এবারে হল। স্তম্ভিত হয়ে গেল গোটা কলকাতা।
গাড়ি চালানো শিখতে গিয়ে দুর্ঘটনা। ‘ভুল করে’ ব্রেকের বদলে অ্যাক্সিলারেটরে পা পড়ে যাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়ি পুকুরে পড়ে যায় বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান পুলিশের। বুধবার সকালে কেষ্টপুরে এই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে সুমিত্রা দাস নামে এক মহিলার। প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় পুকুর থেকে গাড়িটি উদ্ধার করে দমকল ও বাগুইআটি থানার পুলিশ।
মৃত সুমিত্রা কেষ্টপুরের প্রফুল্ল কাননের বাসিন্দা। বুধবার সকালে মেয়েকে স্কুটিতে চাপিয়ে স্কুলে দিয়ে আসেন তিনি। তার পর স্কুটি রেখে স্বামী কৃষ্ণেন্দু দাসের কেনা নতুন গাড়ি নিয়ে বাড়ি থেকে বেরোন। পুলিশ সূত্রে খবর, এখনও গাড়ি চালানোর লাইসেন্স পাননি সুমিত্রা। আগামী ২২ অগস্ট তাঁর লাইসেন্সের পরীক্ষা রয়েছে। সেই পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতেই এ দিন গাড়ি নিয়ে বেরিয়েছিলেন তিনি।
প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান, গাড়ি চালানোর সময় ভুল করে ব্রেকের বদলে অ্যাক্সিলারেটরে পা পড়ে যায় সুমিত্রার। তাতেই গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও দমকল। প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় মাঝ-পুকুর থেকে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। গাড়ির ভিতর থেকেই সুমিত্রার দেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গাড়ির ভিতরে সুমিত্রার বাঁচার আপ্রাণ চেষ্টার প্রমাণ মিলেছে। গাড়ি উদ্ধারের পর দেখা যায়, তাঁর মুখ ছিল পিছনের দরজার দিকে এবং পা ছিল স্টিয়ারিংয়ের কাছে। পরে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বাগুইআটি থানার পুলিশ। ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।




