তিনদিনের বঙ্গ-সফরে এসে রবিবার সকালে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই বৈঠকে একাধিক পরিকল্পনার কথা পুলিশমহলে জানান তিনি।
প্রায় দেড় ঘন্টার বৈঠকে রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক হিংসার পর্যালোচনা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এই বৈঠকে উঠে আসে মাওবাদী ও নকশাল এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর প্রসঙ্গ। তাছাড়াও ১৯৩০টি পরিষেবাকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে জোর দেন শাহ। রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সকে (এসটিএফ) আরও শক্তিশালী করার বার্তা দিয়েছেন তিনি। অনুপ্রবেশ রুখতে বিশেষ এসওপি’র উপর জোর দেন শাহ। বিশেষ বিশেষ মামলায় সিবিআই তদন্তের ক্ষেত্রে নতুন করে আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছেন অমিত শাহ।
অন্যদিকে অনুপ্রবেশ রুখতে জিরো টলারেন্সের পাশাপাশি সীমান্ত থেকে ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে বিএসএফের নিযন্ত্রণ বাড়ানোর উপর জোর দিয়েছেন তিনি। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএসএফ-সিআরপিএফের শীর্ষ কর্তারাও। তাঁদেরও একগুচ্ছ নির্দেশিকা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিএসএফ ও পুলিসের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর কথা বারবার বলেন শাহ। পাশাপাশি সীমান্ত থেকে ৫০ কিলোমিটার ভিতরে আধুনিক শিক্ষা-স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় জোর দেওয়া নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
মাদক ও মানব পাচার করা নিয়ে কেন্দ্রের কড়া মনোভাবের কথা ফের বার্তা হিসাবে উঠে আসে বৈঠকে। এদিকে রাজ্যের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির খোঁজখবর নিতে ভোলেননি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল মানব ও মাদক পাচার সংক্রান্ত তথ্য। পাল্টা বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া দেওয়ার কাজ কতদূর এগিয়েছে সে বিষয়েও বিশদে জানতে চান তিনি।এনআইএ’র মতো এসআইএ তৈরি করার প্রস্তাব দেন অমিত শাহ।




