স্বাধীনতা দিবসের দিনই বাহামাসে দুর্ঘটনার কবলে যাত্রীবাহী বিমান। আটলান্টিক মহাসাগরের উপর অবস্থিত বাহামাস একটি দ্বীপরাষ্ট্র। শুক্রবার সেই বাহামাসেই ১০ জন যাত্রী নিয়ে একটি ছোট বিমান ভেঙে পড়ে। দুর্ঘটনার পর ওই বিমানে থাকা সকল যাত্রীই মারা গিয়েছেন। তবে কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
জানা গিয়েছে, শুক্রবার দুপুর ১টা(স্থানীয় সময়) নাগাদ ফ্লেমিনগো এয়ার ফ্লাইটের ওই বিমানটি ভেঙে পড়ে। লিনডেন পিনডলিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সেসনা ৪০২(সিইএসএসএনএ ৪০২) বিমানটি যাত্রা শুরু করেছিল। বিমানে ৯ জন যাত্রী ও একজন পাইলট ছিলেন। বিমানটির সান আন্দ্রোজ বিমানবন্দরে অবতরণের কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই যাত্রীবাহী বিমানটি জঙ্গলের মধ্যে ভেঙে পড়ে। সেই জঙ্গল থেকে বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার হয়েছে।
A Flamingo Air plane crashed and burned in North Andros, The Bahamas. According to locals, several people died. pic.twitter.com/qkYCrLaK9z
— Secret Feeds (@TheSecretFeeds) July 11, 2026
দুর্ঘটনার পরে সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায়, জঙ্গলের ভিতরে বিমানের ধ্বংসাবশেষের টুকরো বিভিন্ন জায়গায় পড়ে রয়েছে। সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। দুর্ঘটনার পরে সে দেশের সরকার ফ্লেমিনগো এয়ার ফ্লাইট-কে আপাতত বসিয়ে দিয়েছে। দেশের বিমান পরিবহণ মন্ত্রী জোবেথ কোলবি-ডেভিস জানিয়েছেন, শুক্রবার এই বিমান সংস্থার দুটি বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল। মায়াগুয়ানা যাওয়ার পথে অন্য একটি বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ওই বিমানটি অবতরণের পরেই তাতে আগুন ধরে যায়। ইতিমধ্যেই সেই ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।
জানা গিয়েছে, যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে ফ্লেমিনগো এয়ার ফ্লাইটের এয়ার অপারেটর সার্টিফিকেট সাসপেন্ড করা হয়েছে। পুলিশ কমিশনার শান্তা নোলস জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পরে এক যাত্রী বেঁচে রয়েছেন বলে তারা জানতে পেরেছিলেন। তাঁকে দুর্ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধারও করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো যায়নি।
BREAKING: A tragic Flamingo Air plane crash in 🇺🇸San Andros, Bahamas, has left 6 people dead. 1 person survived.
– Officials have suspended the airline’s operations while a full safety investigation begins. pic.twitter.com/516B58cNPA
— Info Room (@InfoR00M) July 10, 2026
উল্লেখ্য, শুক্রবারই ছিল বাহামাসের ৫৩তম স্বাধীনতা দিবস। সেই দিনই বাহামাসে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ওই যাত্রীবাহী বিমানটি। দুর্ঘটনার পরে বাহামাসের প্রধানমন্ত্রী ফিলিপ ব্রেফ ডেভিস জানিয়েছেন, ৫৩তম স্বাধীনতা দিবস শোকদিবসে পরিণত হয়েছে। সেই সঙ্গে তিনি মৃতদের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন। তবে কী কারণে ওই যাত্রীবাহী বিমানটি ভেঙে পড়ল তা এখনও জানা যায়নি। গোটা ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে।




