• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 11 July, 2026

জামিনে জেল থেকে বেরিয়ে এসে ধর্ষিতা ও নিজের পরিবারের সদস্যদের খুন অভিযুক্তের

তেলেঙ্গানার রাঙ্গারেড্ডিতে ছয় জনকে খুনের অভিযোগ উঠল ধর্ষণে অভিযুক্ত এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, এক কিশোরীকে ধর্ষণ করার

জামিনে জেল থেকে বেরিয়ে এসে ধর্ষিতা ও নিজের পরিবারের সদস্যদের খুন অভিযুক্তের

প্রতীকী চিত্র

তেলেঙ্গানার রাঙ্গারেড্ডিতে ছয় জনকে খুনের অভিযোগ উঠল ধর্ষণে অভিযুক্ত এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, এক কিশোরীকে ধর্ষণ করার অভিযোগে ওই ব্যক্তির জেল হয়েছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবারেই জামিনে ছাড়া পান তিনি। তারপরে সরাসরি তিনি ধর্ষিতার বাড়িতে যান। সেই সময় ছিল বেশ গভীর রাত। নির্যাতিতার মা, তরুণী নিজে ও তার দিদা ছিলেন। নির্যাতিতার মা দরজা খুলতেই এলোপাথাড়ি তাকে কোপান ওই অভিযুক্ত। তারপরে তার দিদাকেও কোপান। ওই নির্যাতিতাকে গ্রামের একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে খুন করে ফেলে দেন।

 

তারপরে নিজের বাড়ি যান অভিযুক্ত। তারপরে নিজের স্ত্রী ও দুই সন্তানকেও খুন করেন। তারপরে নিজেরক বাবাকে ফোন করে বিস্তারিতভাবে সবটা বলে ফোন কেটে দেন। এও বলেন এরপরে তিনি নিজেকেও শেষ করে দেবেন। কিন্তু গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যান তিনি। পুলিশ জানিয়েছে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে তদন্তের স্বার্থে।

জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালে বিয়ে করেছিলেন অভিযুক্ত। একটি ৪ বছরের ও ১ বছরের সন্তান ছিল তার। সামসাবাদে থাকতেন তারা। গত মে মাসে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন  তিনি। তবে জামিনে মুক্তি পান। তাকে কাউন্সেলিং এর জন্য ডাকা হলেও তিনি জাননি। পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে অভিযুক্তের মানসিক পরিস্থিতি ঠিক নেই। নেশা করতেন জুয়া খেলতেন। তার জন্য বিপুল ধার  করতেন।

 

স্ত্রী ও সন্তানকে ঘরের মধ্যে ঘুমন্ত অবস্থায় খুন করেছিলেন তিনি। তারপরে দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে এসি চালিয়ে রেখে যান। যাতে কারো সন্দেহ না হয়। শুক্রবারে দেহ উদ্ধার করা হয়। আরও জানা গিয়েছে অভিযুক্তের বাড়ি থেকে কিছুটা দুরেই নির্যাতিতার বাড়ি। সেখান থেকে ২ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে উদ্ধার হয় নির্যাতিতার দেহ। এলাকায় রয়েছে শোকের ছায়া।