• facebook
  • twitter
  • youtube
Thursday, 2 July, 2026

কলকাতা-সহ তিন রাজ্যে জঙ্গি নেটওয়ার্ক গড়ার ছক? এনআইএ-র চার্জশিটে বিস্ফোরক দাবি

বাংলাদেশি জঙ্গিগোষ্ঠী জামাত-উল-মুজাহিদিন (জেএমবি) আসাম, ত্রিপুরা এবং পশ্চিমবঙ্গে ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে বলে অভিযোগ

কলকাতা-সহ তিন রাজ্যে জঙ্গি নেটওয়ার্ক গড়ার ছক? এনআইএ-র চার্জশিটে বিস্ফোরক দাবি

Image: ANI

আবারও কি জঙ্গিদের নিশানায় পশ্চিমবঙ্গ? আবারও কি কলকাতায় ঘাঁটি গাড়ার চেষ্টা জঙ্গিদের? সম্প্রতি গুয়াহাটির এনআইএ আদালতে একটি মামলার চার্জশিট জমা দিতে গিয়ে এমনই দাবি করেছে  এই  কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা । চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে বিএনএস এবং বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইনের একাধিক ধারায়।
বাংলাদেশি জঙ্গিগোষ্ঠী জামাত-উল-মুজাহিদিন (জেএমবি) আসাম, ত্রিপুরা এবং পশ্চিমবঙ্গে ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে বলে অভিযোগ।  উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে ঘিরে ফের জঙ্গি তৎপরতার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। সম্প্রতি গুয়াহাটির এনআইএ আদালতে ১১ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলায় চার্জশিট জমা দিয়েছে এনআইএ।
তদন্তের পর এনআইএ-র দাবি, অভিযুক্তরা ‘ইমাম মাহমুদের কাফিলা’ (আইএমকে)নামে একটি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। জেএমবির শীর্ষ নেতা ইমাম মাহমুদ হাবিবুল্লাহ ভারতে নিষিদ্ধ এই সংগঠনের কার্যকলাপ সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে আইএমকে গড়ে তুলেছিল বলে অভিযোগ।

তদন্তকারী সংস্থার দাবি, আইএমকের মাধ্যমে এই তিন রাজ্য-সহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলে জেএমবির উগ্র মতাদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। পাশাপাশি সংগঠনের নেটওয়ার্ক বিস্তার করে ভারতবিরোধী প্রচার চালানোই ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্য।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে, বিভিন্ন মাধ্যমে সদস্য সংগ্রহের কাজ চালাত আইএমকে। পাশাপাশি সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে আইএমকে এবং জেএমবির নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য গড়ে তুলতেও তারা সক্রিয় ছিল বলে দাবি এনআইএর।
চার্জশিটে নাম থাকা অভিযুক্তদের মধ্যে নাসিমউদ্দিনকে আসামে আইএমকের কার্যকলাপের প্রধান হিসেবে চিহ্নিত করেছে এনআইএ। অন্যদিকে, জগির মিঁয়াকে ত্রিপুরায় সাংগঠনিক কার্যকলাপ পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার।
তদন্তে নেমে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি, ইলেকট্রনিক ডিভাইস এবং ডিজিটাল তথ্য বাজেয়াপ্ত করেছে এনআইএ। সেগুলি ইতিমধ্যেই আদালতে পেশ করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, বাজেয়াপ্ত হওয়া নথি ও তথ্যপ্রমাণ থেকেই সংশ্লিষ্ট সংগঠনের বেআইনি কার্যকলাপের ইঙ্গিত মিলেছে।
অন্যদিকে, দেশের বিচারব্যবস্থার ওপর আস্থা রেখে এনআইএ জানিয়েছে, বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে দোষীরা উপযুক্ত শাস্তি পাবে।