• facebook
  • twitter
  • youtube
Thursday, 2 July, 2026

মোদী তাকাইচি বৈঠক, ভারতে ১২.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী জাপান

দুই দেশের মধ্যে প্রায় ১২০টি সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পাবে বলে মনে করা হচ্ছে

মোদী তাকাইচি বৈঠক, ভারতে ১২.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী জাপান

Photo: Representational Image

তিনদিনের ভারত সফরে এসেছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। ভারতের সঙ্গে জাপানের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। দুই দেশের মধ্যে প্রায় ১২০টি সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। যার সম্ভাব্য মূল্য প্রায় ১২.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই চুক্তিগুলির ফলে ভারতের বাজারে বেসরকারি সংস্থাগুলির বিনিয়োগ ও উপস্থিতি আরও বাড়বে বলেই আশা করা হচ্ছে।

তিন দিনের সরকারি সফরে বুধবার নয়াদিল্লিতে পৌঁছন তিনি। আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁকে সংবর্ধনা জানানো হয়। পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকে বসেন তাকাইচি। বৈঠকে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সেমিকন্ডক্টর, উদ্ভাবন এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

সফরের অন্যতম আকর্ষণ জাপান-ইন্ডিয়া ইকোনমিক ফোরাম। যেখানে ১৫০টিরও বেশি জাপানি সংস্থা অংশ নিয়েছে। জাপানের উপ চিফ ক্যাবিনেট সচিব মাসানাও ওজাকি জানান, এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি স্তরে অর্থনৈতিক এবং কৌশলগত সহযোগিতা আরও গভীর হবে। তাঁর আশা, এই সফর ভারত-জাপান অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন গতি দেবে।

এক্স হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী মোদী তাকাইচিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘তাঁর প্রথম ভারত সফর দুই দেশের বিশেষ কৌশলগত ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করবে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভারত ও জাপান ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।‘

২০১৪ সালে ভারত ও জাপানের সম্পর্ক বিশেষ কৌশলগত ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্বে উন্নীত হওয়ার পর থেকে প্রতিরক্ষা, পরিকাঠামো, বাণিজ্যিক, ডিজিটাল প্রযুক্তি, পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্য, পরিবহন এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ, সব ক্ষেত্রেই সহযোগিতা উল্লেখযোগ্য বেড়েছে।

বর্তমান সফরে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পেরর জন্য ভারতের বাজারে প্রবেশ সহজ করা, ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্মুক্ত করা এবং জেআর ইস্টের ই১০ সিরিজ শিনকানসেন(বুলেট ট্রেন) ভারতে আনার বিষয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উদ্ভাবনভিত্তিক প্রযুক্তি সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দিকেও জোর দেওয়া হবে।