• facebook
  • twitter
  • youtube
Friday, 26 June, 2026

সরকারি শীর্ষ অফিসারদের সহায়তায় ছুটির দিনে আসতে হবে কর্মীদের, বিজ্ঞপ্তি নবান্নের

নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, উচ্চপদস্থ অফিসাররা শনিবার, রবিবার এবং অন্যান্য সরকারি ছুটির দিনগুলিতেও জরুরি সরকারি কাজ পরিচালনা করেন

সরকারি শীর্ষ অফিসারদের সহায়তায় ছুটির দিনে আসতে হবে কর্মীদের, বিজ্ঞপ্তি নবান্নের

পরে নয়, এখনই। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে এই সংস্কৃতি নিয়ে আসতে চান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই বার্তা তিনি আগেই দিয়েছেন। এবার ছুটির দিনেও যাতে সরকারি কাজকর্মে কোনও বিঘ্ন না ঘটে তার জন্য নতুন নির্দেশ জারি করল রাজ্য সরকার। শনিবার এবং রবিবার-সহ অন্যান্য সরকারি ছুটির দিনেও অফিসের রোস্টার অনুযায়ী ন্যূনতম কর্মী রাখতে হবে। এমনই নির্দেশিকা জারি করেছে ‘পার্সোনেল অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ রিফর্মস’ বা কর্মী ও প্রশাসনিক সংস্কার দপ্তর। সুতরাং ছুটির দিনেও আসতে হবে কর্মীদের। আসলে উচ্চপদস্থ অফিসারদের কাজে সহযোগিতা করতেই এই নতুন ব্যবস্থা চালু হতে চলেছে।

এদিকে এই নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে জোর আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। যদিও তা নিয়ে কোনও বক্তব্য উচ্চপদস্থ অফিসারদের এখনও জানাননি তাঁরা। ইচ্ছে না থাকলেও ছুটির দিনে আসতে হবে সরকারি কর্মচারীদের। শনিবার, রবিবার অনেক উচ্চপদস্থ সরকারি অফিসাররা দপ্তরে এসে কাজ করেন। কিন্তু কর্মচারীরা তা করেন না। এবার নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচ্চপদস্থ অফিসাররা প্রায়ই শনিবার, রবিবার এবং নানা সরকারি ছুটির দিনে নিয়মিত প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলান। এই পরিস্থিতিতে দপ্তরের সমস্ত সেলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সরকারি ছুটির দিন-সহ প্রতি শনিবার এবং রবিবার রোস্টার অনুযায়ী ন্যূনতম সংখ্যক কর্মী অফিসে উপস্থিত থাকবেন।

অন্যদিকে নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, উচ্চপদস্থ অফিসাররা শনিবার, রবিবার এবং অন্যান্য সরকারি ছুটির দিনগুলিতেও জরুরি সরকারি কাজ পরিচালনা করেন। প্রশাসনিক কাজ মসৃণভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে দপ্তরের নানা শাখার সহায়তার প্রয়োজন পড়ে। তাই সমস্ত শাখাকে কড়া নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, সরকারি ছুটির দিন এবং সপ্তাহের শেষ দিনগুলিতে নির্দিষ্ট রোস্টার তৈরি করে ন্যূনতম কর্মী সংখ্যা নিশ্চিত করতে হবে। যাতে কাজে কোনও ফাঁক না থাকে। সরকারি কাজের চাকা যাতে কোনও পরিস্থিতিতেই থমকে না যায় এবং জনস্বার্থে কাজ হয় তাই এমন পদক্ষেপ।

তাছাড়া দপ্তরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিবের সবুজ সংকেত মিলতেই বিশেষ সচিব এই নির্দেশিকা জারি করেছেন। এই ব্যবস্থা চালু হলে জরুরি প্রশাসনিক কাজকর্মে কোনও বিঘ্ন ঘটবে না। উচ্চপদস্থ অফিসারকে তাৎক্ষণিক সাহায্যের জন্য কর্মী পেতেও কোনও অসুবিধা হবে না। আগে ছুটির দিনে জরুরি ফাইল আটকে থাকত। তার জেরে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হতো। কিন্তু নতুন নিয়মে সেটা আর হবে না। সাধারণ মানুষের কাজ এবং সরকারের নানা উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলি আরও দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাবে।