• facebook
  • twitter
  • youtube
Monday, 29 June, 2026

ফাইনাল জিততে ফিল্ডিংয়ের ধারাবাহিকতা দরকার ভারতের

সবচেয়ে বড় কথা তাঁর বোলিংয়ে তেমন বৈচিত্র্যও চোখে পড়ছে না। প্রায় একই অবস্থা ভারতের অপর স্পিনার অলরাউন্ডার অক্ষর প্যাটেলের।

ফাইনাল জিততে ফিল্ডিংয়ের ধারাবাহিকতা দরকার ভারতের

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

আজ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে নামছে ভারত। আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে ফের একবার বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্যে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি সূর্যকুমার যাদবের দল। এখনও অবধি চলতি বিশ্বকাপে বেশ ভালো পারফরম্যান্স করেছেন সঞ্জু স্যামসন, তিলক বার্মা, যশপ্রীত বুমরা’রা। ফলে, ঘরের মাঠে ফাইনালের আগে নিঃসন্দেহে কিছুটা হলেও ফেভারিট ভারত।

তবে, এই ম্যাচে নামার আগে কোচ গৌতম গম্ভীরকে চিন্তায় রাখতে পারে সাম্প্রতিককালে ভারতীয় দলের ফিল্ডিং। চলতি বিশ্বকাপেও তার অন্যথা হয়নি। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দলের খেলোয়াড়দের ক্যাচ মিস করার প্রবণতা ফাইনালের আগে অন্যতম চিন্তার কারণ। সেমিফাইনালে, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভালো খেললেও সুপার এইটের ম্যাচে কিন্তু ফিল্ডিং বেশ ভুগিয়েছে ভারতকে। চলতি বিশ্বকাপে এখনও ১৩ ক্যাচ ছেড়েছে ভারত, যা সুপার এইটে ওঠা দলগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি। শুধু তাই নয়, বেশকিছু সহজ রান আউট মিস্‌ করেছে ভারতের ফিল্ডাররা।

এমনকি, ফিল্ডিংয়ের গাফিলতিতে চার রানও দিয়ে ভারত। স্বাভাবিকভাবেই ফাইনালের জিততে ফিল্ডিংয়ের এই ভুলগুলোকে দ্রুত শুধরাতে হবে গম্ভীরের দলকে। ফিল্ডিংয়ের পাশাপাশি ফাইনালে ভারতের অন্যতম চিন্তার বিষয় অবশ্যই স্পিন বোলিং। সুপার এইটের শুরু থেকে একেবারেই নিজের চেনা ছন্দে নেই স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী। ওভার প্রতি ৮.৮৫ রান দিয়েছেন তিনি। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বল হাতে একেবারেই সাফল্য পাননি তিনি। বরং, জেকব বেথেল, উইল জ্যাকসদের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের কোনও জবাব ছিল না তাঁর কাছে। চার ওভার বল করে ৬৪ রান দিয়েছেন বরুণ।

সবচেয়ে বড় কথা তাঁর বোলিংয়ে তেমন বৈচিত্র্যও চোখে পড়ছে না। প্রায় একই অবস্থা ভারতের অপর স্পিনার অলরাউন্ডার অক্ষর প্যাটেলের। সেমিফাইনালে তিন ওভার বল করে ৩৫ রান দিয়েছেন তিনি। শেষ ছয় ম্যাচে মাত্র আটটি উইকেট পেয়েছেন অক্ষর। এই প্রসঙ্গে বলা যায়, ভারতের মাটিতে বরাবরই স্পিনাররা বিশেষ সুবিধা পায়। স্টেডিয়ামে পিচও সেইভাবেই তৈরী করা হয়। তাই মাঝের ওভারগুলোতে স্পিনাররা উইকেট না পেলে দলের সমস্যা বাড়বে। সেইজন্যই দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে মুখ থুবড়ে পড়তে হয়েছিল ভারতকে।