দলীয় মহলের দাবি, একটি আসনে লড়ে পরাজয়ের ঝুঁকি এড়াতেই এই কৌশল। প্রস্তাব অনুযায়ী সুজাপুর ও মালতিপুর—এই দুই কেন্দ্রেই প্রার্থী হতে পারেন প্রাক্তন সাংসদ মৌসম। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে প্রদেশ নেতৃত্ব ও দিল্লির হাইকমান্ড।
Advertisement
মৌসমের রাজনৈতিক যাত্রাপথ নিয়েও আলোচনা কম নয়। কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ, পরে ফের কংগ্রেসে প্রত্যাবর্তন—পরপর দলবদল সাধারণ ভোটারের একাংশের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে বলে মনে করছেন জেলার নেতারা। সংগঠনের নিচুতলার কর্মীদের মধ্যেও অস্বস্তি রয়েছে। প্রয়াত এবিএ গনি খান চৌধুরির ভাগনি মৌসমকে ঘিরে তাই প্রশ্ন উঠছে, তাঁর রাজনৈতিক ভাবধারা কি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে?
Advertisement
মালদহে কংগ্রেসের বর্তমান পরিস্থিতিও খুব শক্তিশালী নয়। ১২টি আসনের একটিও ‘নিশ্চিত’ নয় বলে রাজনৈতিক মহলের অভিমত। বামেদের সঙ্গে জোট না থাকায় সমীকরণ আরও কঠিন হয়েছে। জেলা কংগ্রেস সভাপতি তথা সাংসদ ইশা খান চৌধুরি এ বিষয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেননি।
Advertisement



