• facebook
  • twitter
Monday, 2 February, 2026

বঙ্গভবনে পুলিশি তৎপরতায় মমতার পাশে স্পিকার বিমান

বঙ্গভবনে পুলিশি তল্লাশি ও অতিসক্রিয়তা দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর পক্ষে বিপজ্জনক

দিল্লির বঙ্গভবনে পুলিশের ভূমিকা ঘিরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বিধানসভায় নিজের কক্ষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, বঙ্গভবনে পুলিশি তল্লাশি ও অতিসক্রিয়তা দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর পক্ষে বিপজ্জনক। এই পরিস্থিতিতে দেশের অন্যান্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের দিল্লিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়ানো উচিত বলেও তাঁর মত।

বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, ‘এটা শুধু বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার নয়, গোটা দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার উপর আঘাত। যাঁরা এই কাজ করেছেন, তাঁদের আচরণ নিন্দনীয়।’ তাঁর দাবি, প্রতিবেশী রাজ্যগুলি-সহ অন্যান্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা একসঙ্গে দিল্লিতে গিয়ে প্রতিবাদ জানালে তবেই গণতন্ত্রের মর্যাদা রক্ষা হবে।
বঙ্গভবনে পুলিশ ঢোকা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন স্পিকার। তিনি বলেন, ‘বঙ্গভবনে পুলিশ কেন ঢুকবে? যাঁরা সেখানে আশ্রয় নিয়েছেন, তাঁরা তো অপরাধী নন। তাঁরা রাজনৈতিক হিংসা বা নানা ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ। দিল্লি কি শুধু ধনী মানুষের জন্য?’ তাঁর অভিযোগ, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য থেকে যাওয়া দুর্গত মানুষদের যেভাবে হেনস্থা করা হয়েছে, তা নজিরবিহীন।

Advertisement

একজন মুখ্যমন্ত্রী রাজধানীতে থাকাকালীন তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বদলে তাঁর থাকার জায়গায় পুলিশি তল্লাশি চালানো শিষ্টাচার বিরোধী বলেও মন্তব্য করেন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এতে কেন্দ্রীয় সরকারের মানসিকতাই স্পষ্ট হচ্ছে বলে তাঁর মত। এই ঘটনার নেপথ্যে বাঙালি বিদ্বেষ রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নে স্পিকার রাজনৈতিক কারণকেই বড় করে দেখেন। তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর ও রাজনৈতিক কর্মসূচি কেন্দ্রকে অস্বস্তিতে ফেলেছে।

Advertisement

উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী দিল্লিতে পৌঁছনোর পর থেকেই বঙ্গভবন চত্বরে উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ, রাজনৈতিক হিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকজন মানুষ সেখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেই সময় দিল্লি পুলিশের তল্লাশি ও আচরণ ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়। তৃণমূল কংগ্রেসের পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী নিজেও এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

Advertisement