• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 12 September, 2026

এনিউমারেশন ফর্মের ঘাটতি, চুঁচুড়ায় দ্বিতীয় দিনেই আটকে গেল কাজের গতি

চুঁচুড়া পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে এনিউমারেশন ফর্ম বিলি করতে গিয়ে বিএলও সায়ক ভট্টাচার্য জানান, কাজ ঠিকঠাক চলছে। বড় কোনও অসুবিধা নেই।

এনিউমারেশন ফর্মের ঘাটতি, চুঁচুড়ায় দ্বিতীয় দিনেই আটকে গেল কাজের গতি

Photo: File Photo(প্রতীকী চিত্র)

মাত্র দু’দিন হল এনিউমারেশন ফর্ম বিতরণের কাজ শুরু হয়েছে। আর তার মধ্যেই চুঁচুড়া–হুগলি অঞ্চলে দেখা দিয়েছে ফর্মের ঘাটতি। কাজ শুরুর পর্যায়ে হাতে কম সংখ্যক ফর্ম থাকায় বেশ কিছু ওয়ার্ডে বুধবার সকাল থেকেই সমস্যা তৈরি হয়েছে।

সূত্রের খবর, হুগলি–চুঁচুড়া টাউন এলাকার বহু বিএলও মাত্র ৫০টি করে ফর্ম পেয়েছিলেন। মঙ্গলবারই বেশিরভাগ ফর্ম বিলি হয়ে যায়। বুধবার সকাল থেকেই দরজায় দরজায় কাজ শুরু করতেই হাতে থাকা স্বল্পসংখ্যক ফর্ম মুহূর্তে শেষ হয়ে যায়। ফলে অনেক বিএলও-কে মাঝপথেই কাজ থামাতে হয়।

চুঁচুড়া পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে এনিউমারেশন ফর্ম বিলি করতে গিয়ে বিএলও সায়ক ভট্টাচার্য জানান, কাজ ঠিকঠাক চলছে। বড় কোনও অসুবিধা নেই। কিন্তু নতুন ফর্ম পাইনি। দপ্তরে ফর্ম এলে আবার গিয়ে আনতে হবে।

এলাকার বিএলও , বিএলএ-২ কর্মীদের বক্তব্য, এসআইআর-এর কাজের ক্ষেত্রে সমন্বয় ও বুথ পর্যায়ের তৎপরতায় কোনও ঘাটতি নেই। সমস্যা একটাই, ফর্মের জোগান কম।

১৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর জয়দেব অধিকারী বলেন, মঙ্গলবার বিএলও-রা রাত ৮টা–৯টা পর্যন্ত কাজ করেছেন। কেউ বাড়ি খুঁজে পেতে সমস্যায় পড়লে আমরা সাহায্য করেছি। তাঁর দাবি, ফর্ম বেশি দিলে কাজ আরও দ্রুত এগোবে। আমরা সব সময় মাঠে আছি, কমিশনের উচিত সরবরাহ বাড়ানো।

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ফর্মের অতিরিক্ত সরবরাহের জন্য ইতিমধ্যেই উচ্চ দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। দ্রুত ফর্ম সরবরাহ হলে কাজ ফের আগের গতিতেই চালানো যাবে বলে আশা কর্মীদের।

তবে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত এরকম কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি।