• facebook
  • twitter
  • youtube
Friday, 30 October, 2026

আজ অবসর, রাজ্যের পুনর্বিবেচনার আর্জি শুনতে না–ও পারেন প্রধান বিচারপতি খান্না

এপ্রিল মাসের ৩ তারিখ এসএসসির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি এবং অনিয়মের অভিযোগে ২৬ হাজার চাকরি চাকরি বাতিল করে দেয় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।

আজ অবসর, রাজ্যের পুনর্বিবেচনার আর্জি শুনতে না–ও পারেন প্রধান বিচারপতি খান্না

Supreme Court Photo-SNS

আজ অবসর নেবেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না। তাই স্কুল সার্ভিস কমিশনের প্রায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিল সংক্রান্ত রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন তিনি শুনবেন না বলেই মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, চাকরি বাতিল নিয়ে রাজ্য ও এসএসসির রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন (রিভিউ পিটিশন) নতুন বিচারপতির বেঞ্চ শুনবে। তবে কোন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হবে তা এখনও ঠিক হয়নি।

এপ্রিল মাসের ৩ তারিখ এসএসসির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি এবং অনিয়মের অভিযোগে ২৬ হাজার চাকরি চাকরি বাতিল করে দেয় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি খান্নার বেঞ্চ। এই মামলায় কলকাতা হাই কোর্টের রায়ে হস্তক্ষেপ করেনি এই বেঞ্চ। রায় ঘোষণার এক মাসের মাথায় গত ৩ মে রাজ্য ও এসএসসি সুপ্রিম কোর্টে রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি জানায়। তবে সেই আবেদন এখনও গৃহীত হয়নি। এই অবস্থায় মনে করা হচ্ছে, রাজ্যের আর্জির শুনানি সুপ্রিম কোর্টের বর্তমান প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে হবে না। কারণ আজই তিনি অবসর নেবেন। আর আজ এই মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

শীর্ষ আদালতে রিভিউ পিটিশন শুনানির ক্ষেত্রে কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করতে হয়। রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে কেউ আর্জি জানালে প্রথমে তা সংশ্লিষ্ট বিচারপতির চেম্বারে যায়। সেখানে বিচারপতি বা বিচারপতিরা সিদ্ধান্ত নেন, মামলাটি গ্রহণ করা হবে কি না। প্রয়োজনে বিচারপতির চেম্বারে এ বিষয়ে শুনানি পর্যন্ত করা হয়। মামলা গ্রহণ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত হলে তা আদালতে শুনানির জন্য পাঠানো হয়। এসএসসি মামলার ক্ষেত্রে সাত দিন পেরিয়ে গেলেও মামলাটি এখনও পর্যন্ত চেম্বারেই যায়নি।

মূল মামলাকারীদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানিয়েছেন, এর আগে রাজ্য তথা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ রায়ে সাময়িক পরিবর্তন চেয়ে শীর্ষ আদালতে আবেদন জানিয়েছিল। সেই আর্জি মেনে ”যোগ্য” শিক্ষকদের চাকরি চলতি বছরের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত বহাল রাখে সুপ্রিম কোর্ট। এ বার রাজ্য রিভিউ পিটিশনের আবেদন জানিয়েছে। অর্থাৎ আগের আবেদন থেকে একেবারে ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে রাজ্য। ফিরদৌস মনে করেন, চেম্বারেই রাজ্যের আবেদন খারিজ হয়ে যেতে পারে।