পশ্চিম এশিয়ায় নতুন করে সংঘাত এড়াতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হল। ১১ এপ্রিল আমেরিকা ও ইরানের প্রতিনিধিদল গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের জন্য ইসলামাবাদে পৌঁছনোর পর আন্তর্জাতিক মহলে বাড়ছে নজর। দু’সপ্তাহের নাজুক যুদ্ধবিরতির মধ্যেই এই উচ্চপর্যায়ের আলোচনা ঘিরে প্রত্যাশা যেমন তৈরি হয়েছে, তেমনই উত্তেজনাও কমেনি।
আনুষ্ঠানিক বৈঠক শুরু হওয়ার আগেই দুই পক্ষের মধ্যে বক্তব্যের লড়াই ও অবিশ্বাস পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশেষ করে হুমকি ও পাল্টা হুঁশিয়ারির আবহে আলোচনার সাফল্য নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এই প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে হরমুজ প্রণালী। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ এখন সামরিক ও কূটনৈতিক চাপের কেন্দ্রবিন্দুতে। আমেরিকার তরফে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, ‘ইরানের সহযোগিতা থাক বা না থাক, এই জলপথ খুলবেই।’
Advertisement
অন্যদিকে, ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে, আমেরিকার উপর তাদের গভীর অবিশ্বাস রয়েছে। তাদের মতে, আলোচনায় কোনও অগ্রগতি করতে গেলে একাধিক শর্ত পূরণ করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে লেবাননে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা এবং ইরানের আটকে থাকা সম্পদ মুক্ত করা।
Advertisement
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বৈঠক শুধু দুই দেশের সম্পর্ক নয়, গোটা পশ্চিম এশিয়ার ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এই অঞ্চলে নতুন করে সংঘাত শুরু হলে তার প্রভাব পড়বে বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি সরবরাহেও। এখন দেখার, উত্তেজনার এই আবহে কূটনৈতিক আলোচনায় কোনও সমাধান বের হয় কি না, নাকি পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
Advertisement



