• facebook
  • twitter
Wednesday, 11 February, 2026

বাংলাদেশে নির্বাচনে মোতায়েন ৯ লক্ষের বেশি নিরাপত্তাকর্মী, নজরদারিতে ড্রোন

প্রায় ৯০ শতাংশ ভোটকেন্দ্র সিসি ক্যামেরার নজরদারির আওতায় থাকবে

ঢাকা, ১১ ফেব্রুয়ারি — ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন। ভারতীয় সময় অনুসারে সকাল ৭টায় শুরু হবে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। আর শেষ হবে বিকেল ৪টে নাগাদ। প্রায় অর্ধেকের বেশি ভোটকেন্দ্রকে

‘স্পর্শকাতর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রায় ৯০ শতাংশ ভোটকেন্দ্র সিসি ক্যামেরার নজরদারির আওতায় থাকবে। পুলিশকর্মীরা বডিক্যাম পরে টহলদারি করবেন।

Advertisement

কোন ভোটকেন্দ্র কতটা ঝুঁকিপূর্ণ তা বুঝেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনার আব্দুল ফজল মুহাম্মদ সানাউল্লাহের জানিয়েছেন, কোন আঞ্চল কতটা সংবেদনশীল, তাই বুঝে পদক্ষেপ করা হচ্ছে।

Advertisement

স্পর্শকাতর ভোটকেন্দ্রগুলির একটি তালিকা তৈরি করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। সেই তালিকা নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া হয়েছে। সারা দেশে প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্র রয়েছে।

সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, এর মধ্যে ২৪ হাজার ভোটকেন্দ্রকে অত্যন্ত বা মাঝারি মাত্রায় স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। ঢাকায় মোট ২,১৩১টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। তার মধ্যেও ১,৬১৪টি ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ সেনার মতে ঢাকা শহরের মধ্যে দু’টি ভোটকেন্দ্র স্পর্শকাতর।

বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনার জানিয়েছে, বৃহস্পতিবারের ভোটের জন্য দেশজুড়ে বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় সাড়ে ৯ লক্ষ নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া থাকবে ড্রোন এবং বডিক্যাম। তা প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা হবে।

প্রার্থী বাছাই এবং সংস্কার সংক্রান্ত দু’টি বিষয়ে একটি করে মোট দু’টি ভোট দিতে হবে বাংলাদেশের ভোটারদের। তা নিয়েও একটি গণভোট হবে এবং প্রার্থী বাছাইয়ের সঙ্গে সেটির বিষয়েও নিজেদের মতামত জানাবেন জনগণ।

জুলাই আন্দোলনের ফলে ২০২৪ সালে পতন হয় শেখ হাসিনা সরকারের। তারপর এই প্রথম ভোট হচ্ছে বাংলাদেশে। এ বারের নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না আওয়ামী লীগ। মূলত বিএনপি-র জোট বনাম জামায়াতের জোট— এই দুইয়ের মধ্যেই হবে নির্বাচনী লড়াই । বাংলাদেশে বর্তমানে ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লক্ষ এবং নতুন ভোটার সংখ্যা প্রায় ৩.৫৮ শতাংশ।

Advertisement