Tag: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

রবীন্দ্রনাথ বেঁচে থাকলে আত্মহত্যা করতেন: অনুব্রত

বেশ কিছুদিন থেকেই বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে ‘একটা সস্ত বড় পাগল’ বলে আসছেন।

উত্তরপ্রদেশের পাঠ্যসূচি থেকে বাদ পড়লেন রবীন্দ্রনাথ, স্থান পেল রামদেব ও যােগী

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং রাধাকৃষ্ণণের লেখা দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যসূচি থেকে বাদ পড়ায় সমালােচনার মুখে পড়েছেন যােগী সরকার।

আমি রবি ঠাকুরের চেয়ারে বসিনি: অমিত শাহ 

রবিঠাকুরের চেয়ারে বসা নিয়ে বিতর্কের জবাবে লােকসভায় দাঁড়িয়ে অমিত শাহকে ছবির প্রমাণ দিয়ে বলতে হয়, আমি রবি ঠাকুরের চেয়ারে বসিনি।

বিশ্বভারতীর শতবর্ষে আজ ভার্চুয়াল বক্তব্য আচার্য প্রধানমন্ত্রীর

করােনা আবহ ছন্দপতন ঘটিয়ে দিয়েছে বিশ্ব মানব জীবনে। সেই আবহের কারণে এবার বসলাে না ঐতিহ্যবাহী শান্তিনিকেতনের পৌষমেলা।

শুভেন্দু ছাড়ায় তৃণমূলের মতাে বড় দলের কিছু যায় আসে না: সুব্রত

শুভেন্দু অধিকারী দল ছাড়ার পরই তােপ দাগলেন রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত মুখােপাধ্যায়।

খড়গপুরে ট্রাঙ্ক খুলতেই বেরোল রবীন্দ্রনাথের চিঠি

১৯৬১ সালে বিশ্বকবির জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে খড়গপুর কলেজ কর্তৃপক্ষ একটি বিশেষ স্মরণিকা প্রকাশ করে। সেই স্মরণিকায় অধ্যাপক সরকারকে লেখা রবীন্দ্রনাথের চিঠিটি প্রকাশিত হয়।

ওই মহামানব আসে

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মনে করতেন, মানুষ যে দেশে বাস করে সে দেশের কোনও ভৌগােলিক সীমা নেই। তার কারণ মনকে কখনওই ভৌগােলিক সীমা দ্বারা আটকানাে যায় না। মনের অবস্থান এখন এদেশে তাে পরক্ষণেই ভিন দেশে। তাই তিনি বলতে চেয়েছেন মানুষের দেশ, মানসিক সীমায় প্রসারিত।

নাচে গানে কবিতা পাঠে আর নাটকে ২৫শে বৈশাখে কবিগুরুকে স্মরণ

প্রায় সব বাঙালীর কাছে বাংলা ক্যালেন্ডারে বৈশাখ মাস মানে রবি মাস, ২৫শে বৈশাখ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন। গোটা বাঙালি জাতির কাছে ২৫শে বৈশাখ অথবা রবীন্দ্র জয়ন্তী এক অন্যতম সাংস্কৃতিক উৎসব, রবি মাস বলে এখন পুরো বৈশাখ মাসটা জুড়ে চলে নানা অনুষ্ঠান বাঙালি অধ্যুষিত শহরে ও গ্রামে।

ঠাকুরবাড়ির চায়ের মজলিস

ঠাকুরবাড়ির রমরমার দিন শুরু হয়েছিল দ্বারকানাথের হাতে। দ্বারকানাথ একদিকে যেমন জ্ঞানী, গুণী, আভিজাত্যময় শিল্পীমনের পুরুষ, তেমনই অন্যদিকে ছিলেন প্রকৃত ব্যবসাদার মানুষ। ব্যবসার জন্যই সাহেব-সুবােকে ডেকে বাড়িতে মজলিশ বসাতেন। বিশাল জমিদারি সামলানাের পাশাপাশি পাট, চিনি, আফিম, নীলের ব্যবসা বা জাহাজের ব্যবসা কি ছিল না তাঁর, তেমনই তাঁর চায়ের ব্যবসাও ছিল।

সম্পর্কে কাঁটা জালিয়ানওয়ালা

ক্ষমা নয়, এবারও শুধুই গতানুগতিক দুঃখপ্রকাশ। ১৯১৯ সালে অমৃতসরের জালিয়ানওয়ালাবাগের ইংরেজ সৈন্যদের সেই বর্বরতার, সেই অমানুষিকতার ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আশা করা গিয়েছিল বর্তমান ব্রিটিশ সরকার সেই ঘটনার জন্য ভারতবাসীর কাছে ক্ষমা চাইবে কিন্তু বর্বরতার সেই ১০০ বছর পরও, ব্রিটিশ সরকার ঘটনাকে 'দুঃখজনক' বলেই ছেড়ে দিলেন, যা সর্বস্তরের ভারতবাসীকে আঘাত দিয়েছে।