অধিনায়কের নতুন দায়িত্বে স্মৃতি মান্ধানার প্রথম পরীক্ষা শুরু শুক্রবার, জ়িম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে। তবে শুধু সিরিজ জয় নয়, স্মৃতির নজর আরও বড় লক্ষ্যে। আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে প্রথম মহিলা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। তার আগে নিজেদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের খামতিগুলি শুধরে নিতে চান তিনি। বিশ্বকাপ জয়ের সাফল্য থাকলেও এই ফরম্যাটে আরও উন্নতির প্রয়োজন রয়েছে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন নতুন অধিনায়ক।
জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে তিনটি টি-টোয়েন্টি এবং তার পরে তিনটি এক দিনের ম্যাচ খেলবে ভারত। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রস্তুতিতে এই ছ’টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন স্মৃতি।
তিনি বলেন, ‘জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে প্রথম দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে নামছি আমরা। এটা খুবই উত্তেজনাপূর্ণ। ওদের মতো সহযোগী সদস্য দেশের বিরুদ্ধে খেলেও অনেক কিছু শেখা যায়। ওরা ক্রিকেটটা উপভোগ করে। ওদের কাছ থেকেও অনেক কিছু শেখার রয়েছে’।
এর পরেই আসন্ন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রস্তুতি নিয়ে ভারতীয় অধিনায়ক বলেন, ‘চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে আমাদের হাতে ছ’টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ রয়েছে। আগামী তিন মাস আমরা কী ভাবে খেলতে চাই, ভারতীয় দল হিসাবে নিজেদের জন্য কী মান নির্ধারণ করতে চাই, সেই বিষয়গুলিতে নজর দেব’।
গত দেড় বছরে ভারতীয় মহিলা দল বিশ্বকাপ জিতেছে। কিন্তু সেই সাফল্যেই সন্তুষ্ট থাকতে রাজি নন স্মৃতি। তাঁর মতে, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বেশ কিছু জায়গায় উন্নতি করতে হবে দলকে। স্মৃতির কথায়, ‘গত দেড় বছরে আমরা বিশ্বকাপ জিতেছি ঠিকই। কিন্তু টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে বিশেষ করে কয়েকটি জায়গায় আমাদের কাজ করা প্রয়োজন’।
এক দিনের ক্রিকেটে বিশ্বকাপ জয়ের পরে ভারতীয় মহিলা দলের লক্ষ্য এখন সীমিত ওভারের ক্রিকেটের দুই ফরম্যাটেই নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা। হারমনপ্রীত কৌরের জায়গায় তিন ফরম্যাটেই অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পেয়েছেন স্মৃতি। ফলে তাঁর সামনে চ্যালেঞ্জ শুধু ব্যক্তিগত ব্যাটিংয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা নয়, দলকেও পরের বড় প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত করা।
জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে সিরিজ সেই প্রস্তুতির প্রথম ধাপ। নতুন অধিনায়কের নেতৃত্বে ভারত কতটা পরিকল্পনামাফিক এগোতে পারে, তার উত্তর মিলবে মাঠেই। তবে স্মৃতির বক্তব্য পরিষ্কার— অতীতের সাফল্য নিয়ে আত্মতুষ্টিতে ভুগতে নারাজ ভারত। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে নিজেদের আরও ধারালো করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।




