রঞ্জি ট্রফি ক্রিকেটে শেষ আটের খেলায় বাংলা পৌঁছে যাবে আর মাত্র দুটো উইকেট দখল করলেই। বাংলা প্রথম ইনিংসে ৫১৯ রান করে। তার জবাবে শনিবার সার্ভিসেস প্রথম ইনিংস শেষ করে ৫৩.৫ ওভারে ১৮৬ রানে। স্বাভাবিকভাবেই বাংলা যে ফলো অন করবে, তা বলার প্রয়োজন হয় না। ফলো অন শেষে সার্ভিসেস দল দ্বিতীয় ইনিংসের খেলা শুরু করে। দিনের শেষে সার্ভিসেস ৮ উইকেট হারিয়ে ২৩১ রান করেছে। প্রথম ইনিংসে নকুল শর্মা ১১৩ বলে ৮৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। যেহেতু বাংলা প্রথম ইনিংসে বড় রানের স্কোরবোর্ড করেছিল, সেই কারণে সার্ভিসেস দলের খেলোয়াড়রা বেশ কিছুটা চাপে পড়ে গিয়েছিলেন। সেই চাপ থেকে তারা বেরিয়ে আসতে পারেননি। দ্বিতীয় দিনের শেষে তারা আটটি উইকেট হারিয়েছে।
আর তৃতীয় দিনেও আটটি উইকেট হারাতে হয়েছে সার্ভিসেস দলকে। সার্ভিসেসের খেলোয়াড়রা কোনও ভাবেই বাংলার বোলারদের সঙ্গে মোকাবিলা করতে পারেননি। প্রথম ইনিংসে খেলা শুরু হতেই এদিন দু’টি উইকেট তুলে নেন সুরজসিন্ধু জয়সওয়াল ও শাহবাজ আহমেদ। সুরজ চারটি উইকেট পেয়েছেন। আর আকাশদীপের দখলে যায় তিনটি উইকেট। মহম্মদ শামির পাশে দুটো উইকেট লেখা হয়। শাহবাজ আহমেদ একটি উইকেট পান। মুকেশ কুমারকে একটি উইকেট নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়।
Advertisement
বড় রানে পিছিয়ে থেকে সার্ভিসেস দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করতেই আবার বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। দলের অধিনায়ক রজত পালিওয়াল ৮৩ রান করে স্কোরবোর্ডকে একটা ভদ্রস্থ জায়গায় তুলে দেন। রজতের পাশে মোহিত আহলওয়াত ৬২ রান করেছেন। জয়ন্ত গয়াত ১৬ ও আদিত্য কুমার ২২ রানে অপরাজিত থাকেন। দ্বিতীয় ইনিংসে শামির ভেল্কিতে সার্ভিসেসের খেলোয়াড়রা কেউই বেশিক্ষণ উইকেটে দাঁড়িয়ে থাকতে পারেননি। শামি ৫১ রান দিয়ে পাঁচটি উইকেট দখল করেন। মুকেশ কুমার পেয়েছেন দুটো উইকেট। সুরজের নামের পাশে একটি উইকেটে লেখা আছে। এই মুহূর্তে সার্ভিসেস ১০২ রানে পিছিয়ে রয়েছে। তাদের হাতে মাত্র দুটো উইকেট রয়েছে। তাই রবিবার বাংলার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার প্রধান কারণ হলো এই দুটো উইকেট যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভেঙে ফেলতে পারলে তাহলে শেষ আটের খেলায় পৌঁছতে কোনওরকম সমস্যা হবে না। বাংলা এই ম্যাচে বোনাস পয়েন্ট পাবে, তা নতুন করে বলার প্রয়োজন হয় না।
Advertisement
Advertisement



