কলম্বোর মাঠে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে কার্যত আত্মসমর্পণ করল ওমান। স্কোরবোর্ডে প্রথম পাঁচ ব্যাটারের রান ছিল ৫, ৫, ০, ০, ৩—এই হতাশাজনক সূচনাই ম্যাচের গতিপথ স্পষ্ট করে দেয়। শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায় ওমানের ব্যাটিং লাইনআপ। একমাত্র লড়াইয়ের চেষ্টা করেন বিনায়ক শুক্ল।
তাঁর ২৮ রানের ইনিংসের সৌজন্যে কোনও মতে তিন অঙ্কের কাছাকাছি পৌঁছয় দল। কিছুটা অবদান রাখেন সুফিয়ান মেহমুদ ও নাদিম খানও, তবে তাতে পরিস্থিতি বদলায়নি। শেষ পর্যন্ত ১০৬ রানে থামে ওমানের ইনিংস।
Advertisement
এই ম্যাচে একটি বিশেষ দিক ছিল ৪২ বছর বয়সী আমির কলিমের অংশগ্রহণ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অন্যতম প্রবীণ ক্রিকেটার হিসেবে মাঠে নামেন তিনি। তবে ব্যাট হাতে তাঁর অবদান মাত্র ৫ রানেই সীমাবদ্ধ থাকে।
Advertisement
বল হাতে জিম্বাবোয়ের পেসাররা দাপট দেখান। রিচার্ড এনগ্রাভা, ব্র্যাড এভান্স এবং ব্লেসিং মুজারাবানি তিনটি করে উইকেট নেন। মুজারাবানির আগুনে স্পেলে পাওয়ার প্লেতেই চার উইকেট হারিয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে ওমান। একটি উইকেট পান অধিনায়ক সিকান্দর রাজাও।
১০৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন ব্রায়ান বেনেট। মাত্র ৩৬ বলে ৪৮ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। ৪০ বছর বয়সী ব্রেন্ডন টেলর ৩১ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হন। শেষ পর্যন্ত মাত্র ১৪ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় জিম্বাবোয়ে, হাতে থাকে ৮ উইকেট।
২০১৬ সালের বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া ওমান একসময় আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে চমক দিয়েছিল। তবে এদিন তাদের পারফরম্যান্স সেই স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে পারেনি। অন্যদিকে, দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করা জিম্বাবোয়ে প্রথম ম্যাচ জিতে আত্মবিশ্বাসী। সিকান্দর রাজাদের লক্ষ্য, এবার বিশ্বকাপে বড় চমক দেখানো।
Advertisement



