• facebook
  • twitter
Friday, 6 March, 2026

ইস্টবেঙ্গলের আবার পয়েন্ট নষ্ট গোয়ার কাছে আটকে গিয়ে

১৭ মিনিটে ইউসেফ এজেজারি ও মিগুয়েলের যৌথ আক্রমণ দেখা যায়। তবে বিপক্ষ দলে ছিলেন সন্দেশ জিঙ্ঘান। ২৬ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত ইস্টবেঙ্গল।

কী হল ইস্টবেঙ্গলের? প্রথম দুটো ম্যাচে দুরন্ত জয় তুলে নিয়ে তৃতীয় ম্যাচেই ধাক্কা খেতে হয়েছে জামশেদপুর এফসি-র কাছে। হার স্বীকার করে মশাল বাহিনীকে মাঠ ছাড়তে হয়েছে।

বৃহস্পতিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গণে সমর্থকরা আশা করেছিলেন, ইস্টবেঙ্গল ঘুরে দাঁড়িয়ে জয়ের হাসি হাসবে। কিন্তু তা হল না। এফসি গোয়ার সঙ্গে পয়েন্ট হারাতে হল। খেলা শেষ হল গোলশূন্যভাবে। সমর্থকরা যে আশা নিয়ে মাঠে ছুটে গিয়েছিলেন তা একেবারেই হতাশার মুখে পড়তে হল। আগেই বোঝা গিয়েছিল, গোয়ার সঙ্গে লড়াইটা খুব একটা সহজ হবে না ইস্টবেঙ্গলের। ফুটবল খেলার একটাই কথা, গোল এবং জয়। কত সুযোগ এসেছিল, সেটা বড় কথা নয়। সেই সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারলে না মিগুয়েল-রশিদরা।

Advertisement

খেলার প্রথমার্ধে ইস্টবেঙ্গল ও গোয়ার খেলোয়াড়রা পাল্লা দিয়ে লড়াই করেছেন। কখনও আক্রমণে উঠে এসেছেন লাল-হলুদ ফুটবলাররা আবার পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে গোয়ার ফুটবলাররা প্রতিপক্ষ রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করে। গোলের সুযোগ এলেও প্রথমার্ধে কোনও গোল হয়নি। ৭ মিনিটের মাথায় লাল-হলুদ বক্সে ঢুকে পড়েন ঈশান পণ্ডিতা। আনোয়ার আলির অনবদ্য ট্যাকেলে বিপন্মুক্ত হয় ইস্টবেঙ্গল। এর মিনিট পাঁচেক পর আকাশ সাঙ্গওয়ানের ক্রস ক্লিয়ার করেন সেই আনোয়ার। ১৭ মিনিটে ইউসেফ এজেজারি ও মিগুয়েলের যৌথ আক্রমণ দেখা যায়। তবে বিপক্ষ দলে ছিলেন সন্দেশ জিঙ্ঘান। ২৬ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত ইস্টবেঙ্গল। বিপিন সিংয়ের অনবদ্য ক্রস থেকে বল পেয়ে পোস্টের উপর মেরে বসেন ইউসেফ।

Advertisement

এরপর গোয়াও বেশ কিছু বার গোল লক্ষ্য করে শট নেয়। তবে সতর্ক ছিলেন লাল-হলুদ গোলকিপার প্রভসুখন সিং। এরই মধ্যে ৩৯ মিনিটে সহজতম সুযোগ নষ্ট করে গোয়া। গোলকিপার গিলকে একলা পেয়েও ব্যর্থ হন ঈশান পণ্ডিতা। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে আবার মিস পণ্ডিতার। ৪৩ মিনিটে রশিদের দূরপাল্লার শট বাঁচিয়ে দেন গোয়ার গোলরক্ষক।

দ্বিতীয়া পর্বে খেলা শুরু হতেই ইস্টবেঙ্গল গতি বাড়িয়ে গোয়ার রক্ষণভাগে প্রবেশ করার চেষ্টা করতে থাকে। খেলার ৫৩ মিনিটে মিগুয়েল সুযোগ পেলেও তা ফলপ্রসূ ছিল না। ৫৫ মিনিটে দুই বদল আনেন ব্রুজো। এডমুন্ড লালরিন্ডিকা এবং নওরেম মহেশের জায়গায় নামেন অ্যান্টন এবং পিভি বিষ্ণুকে। ৬৪ ও ৬৮ মিনিটে গোলের সুযোগ তৈরি হলেও ডেডলক ভাঙেনি লাল-হলুদে। ৭১ মিনিটে ফের সুযোগ পেলেও গোয়ার রক্ষণের ফাঁদ থেকে বেরতে পারলেন না ইউসেফ। ৭৫ মিনিটে ডান দিক থেকে ঠিকানালেখা ক্রস পেয়েও রেনিয়ার ফার্নান্ডেজের শট অল্পের জন্য পোস্টের উপর দিয়ে চলে যায়। শেষ পর্যন্ত কোনও দলই গোল করতে পারেনি। গোলশূন্য ড্র করে চার ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের চতুর্থ স্থানে ইস্টবেঙ্গল। ৮ পয়েন্ট নিয়ে তিনে গোয়া। তিন ম্যাচে সবক’টিতে জিতে ৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে মোহনবাগান। সমান পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে জামশেদপুর। গোলপার্থক্যে সবুজ-মেরুনের থেকে পিছিয়ে তারা।

Advertisement