• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 15 August, 2026

বিসিসিআইয়ের কাছে চুক্তি বাড়ানোর অনুরোধ আগারকারের

আগামী ২০২৭ একদিনের বিশ্বকাপ অবধি কি ভারতের নির্বাচক প্রধান হিসেবে দেখা যাবে অজিত আগারকারকে ?

বিসিসিআইয়ের কাছে চুক্তি বাড়ানোর অনুরোধ আগারকারের

File Photo

আগামী ২০২৭ একদিনের বিশ্বকাপ অবধি কি ভারতের নির্বাচক প্রধান হিসেবে দেখা যাবে অজিত আগারকারকে ? তাঁর আমলে তিনিটি আইসিসি ট্রফি জিতেছে ভারত। স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচক প্রধান হিসেবে বেশ সফল প্রাক্তন ভারতীয় এই ক্রিকেটার। অবশ্যই শুরুটা কিন্তু এতটা সহজ ছিল না আগারকারের জন্য। চেতন শর্মাকে সরিয়ে যখন তাঁকে দায়িত্বে নিয়ে আসা হয়েছিল তখন ভারতীয় ক্রিকেটের পরিস্থিতি কিছুটা টালমাটাল। সেখান থেকে তাঁর প্রথম বড় দায়িত্ব ছিল ২০২৩ বিশ্বকাপের দল বাছা।

এরপর তিনি সব মিলিয়ে মোট চারটি আইসিসি ট্রফির দল গড়েছেন। তারমধ্যে ২০২৪ ও ২০২৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের খেতাব জিতেছে ভারত। পাশাপাশি, ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিও ঘরে তুলেছেন শুভমন গিল, রোহিত শর্মা’রা। শুধু তাই নয়, মাঝে দুটি এশিয়া কাপও জিতেছে তারা। মাত্র একবার আইসিসি ট্রফিতে ব্যর্থ হতে হয়েছে ভারতকে। ২০২৩ সালে খেতাব জিততে না পারলেও রানার্স আপ হয়েছিল ভারত।

অর্থাৎ নির্বাচক প্রধান হিসেবে তাঁর সময়ে চারটি আইসিসি ট্রফির তিনবার খেতাব জিতেছে সূর্যকুমার যাদব’রা। নির্বাচক প্রধান হিসেবে আগারকারের সাফল্য নিঃসন্দেহে প্রশ্নাতীত। ফলে প্রশ্ন উঠছে, আগারকারের সঙ্গে কি ফের একবার চুক্তি বৃদ্ধি করবে বিসিসিআই ? জানা গিয়েছে, এজন্য নিজে থেকেই আবেদন জানিয়েছেন ভারতের নির্বাচক প্রধান। বোর্ডের কাছে তিনি অনুরোধ করেছেন তাঁর চুক্তি যেন আগামী ২০২৭ একদিনের বিশ্বকাপ অবধি বাড়ানো হয়।

বোর্ড সম্ভবত আগারকারের এই দাবি মেনে নিতে চলেছে। কারণ, আপাতত তাদের হাতে তেমন কোনও বিকল্প নেই। যদিও, সামনেই বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ এবং একদিনের বিশ্বকাপ রয়েছে। তাই, বোর্ডের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। এদিকে, পশ্চিমাঞ্চলের আরও এক প্রাক্তন ক্রিকেটারও প্রধান নির্বাচক হওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছেন। আগারকারকে নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে হয়তো তাঁর সঙ্গে একবার কথা বলবে বিসিসিআই কর্তারা।

এই প্রসঙ্গে বলা যায়, নির্বাচক হিসেবে সফল হওয়ার পাশাপাশি একাধিক সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আগারকার। তাঁর অধীনে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মাকে বাদ দিয়েও বেশ সফলতা পেয়েছে ভারত। টেস্টে তরুণ শুভমন গিলকে অধিনায়ক করাটা যদি আগারকারের একটা দারুন সিদ্ধান্ত হয়েছে থাকে, তাহলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলের ঈশান কিশানকে সুযোগ দেওয়াটা নিঃসন্দেহে তাঁর একটা মাস্টারস্ট্রোক। আগারকারের এই সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে বারবার নানারকম সমালোচনা করা হলেও এইগুলোই বিভিন্নসময়ে ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ পার্থ্যক্য গড়ে দিয়েছে। তাই আলোচনা চললেও বর্তমানে ভারতীয় ক্রিকেটে অজিত আগারকারের যে যোগ্য বিকল্প নেই, তা বলাই বাহুল্য।