• facebook
  • twitter
  • youtube
Friday, 5 June, 2026

কলকাতা পুরসভার ড্রেনেজ প্রকল্পে গাছ স্থানান্তর অভিযান

বহু প্রতীক্ষিত এই প্রকল্প সম্পূর্ণ হলে ভবানীপুরের একাধিক অঞ্চলে জল জমার সমস্যা অনেকটাই কমবে বলে আশা পুর কর্তৃপক্ষের।

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

শহরের জলযন্ত্রণার অবসান ঘটাতে বড় পদক্ষেপ নিল কলকাতা পুরসভা। ভবানীপুরের সুভাষ উদ্যান (নর্দার্ন পার্ক) থেকে শুরু হয়েছে পুরসভার এক বিশেষ বৃক্ষ স্থানান্তর অভিযান। ৪৪ কোটি টাকার স্টর্ম ওয়াটার ড্রেনেজ পাম্পিং স্টেশন তৈরির জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বহু প্রতীক্ষিত এই প্রকল্প সম্পূর্ণ হলে ভবানীপুরের একাধিক অঞ্চলে জল জমার সমস্যা অনেকটাই কমবে বলে আশা পুর কর্তৃপক্ষের।

পুরসভার তরফে জানা গিয়েছে, মোট ১০টি গাছের মধ্যে ৮টিকে ইতিমধ্যেই নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বাকি রয়েছে দুটি গাছ। একটি বড় কদমগাছ ও একটি চন্দনগাছ। গাছ দুটিকে স্থানান্তরিত করা হবে। স্থানান্তরিত গাছগুলির মধ্যে রয়েছে আম, পেয়ারা, কদম, সুপারি, জামরুল ও চন্দন। জানা গিয়েছে, এই গাছগুলির মধ্যে কিছু ৫০ বছরেরও বেশি পুরনো।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, অ্যালেনবি রোড, জাস্টিস দ্বারকানাথ রোড, হে’শ্যাম রোড, এলগিন রোড, জাস্টিস চন্দ্রমাধব রোড ও উডবার্ন রোড এলাকায় জল জমার সমস্যা দীর্ঘদিনের। গত ২৩ সেপ্টেম্বরের বৃষ্টিতে কিছু এলাকায় কোমরজল হয়ে গিয়েছিল।
প্রথমে সুভাষ উদ্যানে খোলা আকাশের নিচে থাকা জিমের পাশেই পাম্পিং স্টেশন তৈরির পরিকল্পনা ছিল।

তবে পরে পরিকল্পনাটি সরিয়ে ড. রাজেন্দ্র রোডের শিশু ও মহিলাদের পার্কের অংশে স্থানান্তর করা হয়। স্থানীয় কাউন্সিলর ও পুরসভার মেয়র পারিষদ অসীম বসু জানান, ‘আমি মূল উদ্যানে পরিবর্তন আনতে চাইনি। তাই পাশের শিশু পার্কেই প্রকল্পটি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’

তিনি আরও জানান, ভবানীপুর ও সাউদার্ন অ্যাভিনিউ জুড়ে প্রায় ২৫টি সুপারি গাছ অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হবে। পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে, শিশু পার্কের অংশটি প্রকল্প শেষ হওয়ার পর পুনর্গঠন করা হবে। পুরো কাজ শেষ হতে প্রায় একবছর সময় লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে।