• facebook
  • twitter
  • youtube
Monday, 7 September, 2026

পুলিশের তৎপরতায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার চুরি যাওয়া সোনা ও নগদ, গ্রেপ্তার আয়াকর্মী

বৃদ্ধ দম্পতির অসহায়তার সুযোগ নিয়ে তিনি সোনার গয়না ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী হাতিয়ে নেন। এরপর গত ৪ সেপ্টেম্বর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সিঁথি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পরেই পুলিশ তদন্তে নামে।

পুলিশের তৎপরতায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার চুরি যাওয়া সোনা ও নগদ, গ্রেপ্তার আয়াকর্মী

Photo: Statesman

রক্ষকই হয়ে উঠল ভক্ষক। অভিযোগ, বৃদ্ধ দম্পতির অসহায়তার সুযোগ নিয়ে এক আয়াকেন্দ্রের কর্মী বাড়ি থেকে সোনার গয়না চুরি করেন। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই চুরি যাওয়া সোনার একটি বড় অংশ উদ্ধার করল সিঁথি থানার পুলিশ। অভিযুক্ত সুপ্রিয়া অধিকারী (৩১)-কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি একটি আয়াকেন্দ্র থেকে নার্সিং-এর কাজে ওই বাড়িতে নিযুক্ত ছিলেন।

পুলিশ সূত্রের খবর, অভিযুক্ত প্রায় ১১ দিন ধরে ওই বাড়িতে কাজ করছিলেন। বৃদ্ধ দম্পতির অসহায়তার সুযোগ নিয়ে তিনি সোনার গয়না ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী হাতিয়ে নেন। এরপর গত ৪ সেপ্টেম্বর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সিঁথি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পরেই পুলিশ তদন্তে নামে।

জানা গিয়েছে, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টো ১০ মিনিট নাগাদ সুপ্রিয়া অধিকারীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি চুরির কথা স্বীকার করেছেন বলে পুলিশের দাবি। এর পাশাপাশি চুরি করা সোনার কিছু জিনিস বিক্রি করে অভিযুক্ত গলিয়ে ফেলেছেন বলেও জানান। অভিযুক্তের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত অভিযান চালায় সিঁথি থানার পুলিশ।

Sinthi Police Station
Photo: Statesman

পুলিশ সূত্রের খবর, মধ্যমগ্রামের একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে চুরি যাওয়া সামগ্রীর কিছু অংশ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে এক জোড়া সোনার কানোর দুল, দুটি সোনার চেন, একটি সোনার বালা এবং ১৯.৮৩০ গ্রাম গলানো সোনা। এছাড়াও ৩২ হাজার টাকা উদ্ধার হয়েছে। যা চুরি করা সোনা বিক্রির টাকা হতে পারে বলে পুলিশ মনে করছে।

আরও পড়ুন: ‘যথেষ্ট হয়েছে’, অভিষেকের বিরুদ্ধে একের পর এক এফআইআরে ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট

মামলা দায়ের হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি উদ্ধার হওয়ায় তদন্তে পুলিশের তৎপরতা ও দ্রুত পদক্ষেপের বিষয়টি উঠে এসেছে। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর উৎস এবং চুরির ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।