• facebook
  • twitter
  • youtube
Friday, 28 August, 2026

প্রত্যেক স্কুলে এবার ‘হর ঘর বিমা’ কর্মসূচি, নয়া উদ্যোগ রাজ্য সরকারের

এখন জীবনবিমা নিয়ে মানুষের মধ্যে নানা সময় চর্চা হয়। তার উপর জীবনবিমা নিয়ে নানা বিজ্ঞাপন জনমানসে প্রভাব ফেলেছে

প্রত্যেক স্কুলে এবার ‘হর ঘর বিমা’ কর্মসূচি, নয়া উদ্যোগ রাজ্য সরকারের

Har Ghar Bima Photo-SNS

জীবনবিমা জীবনে কতটা জরুরি? এই প্রশ্ন সামনে রেখে নয়া কর্মসূচি নিতে চলেছে রাজ্য সরকার। প্রত্যেক সরকারি স্কুলে পড়ুয়াদের এই কর্মসূচিতে যুক্ত করা হবে। সেখানে পাঠ দেওয়া হবে জীবনবিমা নিয়ে। জীবনের দাম যে অমূল্য। তাই প্রত্যেক নতুন প্রজন্মের পড়ুয়াদের স্বচ্ছ ধারণা থাকা উচিত জীবনবিমা নিয়ে। বলা যেতে পারে, জীবনবিমা নিয়ে একটা সচেতনতা শিবির করা হবে। যার পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে. ‘হর ঘর বিমা’। এই কর্মসূচি সুদূরপ্রসারি প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে।

‘হর ঘর বিমা’ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে যাতে ছোট থেকেই সকলে বুঝতে পাবে জীবন বিমার গুরুত্ব। পড়াশোনা করার পাশাপাশি বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার লড়াইটাও শিখতে হবে ধীরে ধীরে। আর তাই এবার সরকারি উদ্যোগে প্রত্যেক স্কুলে পড়ুয়াদের সেই পাঠ দেওয়া হবে। স্কুলপড়ুয়া এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে জীবনবিমার গুরুত্ব ছড়িয়ে দিতেই কলকাতার সব সরকারি, সাহায্যপ্রাপ্ত এবং স্পনসর্ড মাধ্যমিক স্কুলে শুরু হচ্ছে বিশেষ সচেতনতা শিবির। যার নাম দেওয়া হয়েছে-‘হর ঘর বিমা’। এমনকী ভবিষ্যতে মানুষজনকে তাঁরাই জীবনবিমার গুরুত্ব বোঝাতে পারবে। এমনকী এই বিষয়টিকে পরে পেশা হিসাবেও নিতে পারে।

এখন জীবনবিমা নিয়ে মানুষের মধ্যে নানা সময় চর্চা হয়। তার উপর জীবনবিমা নিয়ে নানা বিজ্ঞাপন জনমানসে প্রভাব ফেলেছে। সরকারি, বেসরকারি জীবনবিমা দুই আছে বাজারে। যার তুল্যমূল্য বিচার করে থাকেন মানুষজন। সেখানে ভারতীয় জীবন বিমা নিগমের উদ্যোগে এবং স্কুলশিক্ষা দপ্তরের সহযোগিতায় এই ‘হর ঘর বিমা’ প্রচার অভিযান চালানো হবে বলে জানা গিয়েছে। যার স্লোগান হয়ে উঠেছে ‘হর ঘর বিমা’। কদিন আগে কলকাতার জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক শিক্ষা) কার্যালয় থেকে এই বিষয়ে একটি সরকারি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

এই নির্দেশিকার পর এলআইসি’র কলকাতা শাখার আবেদনের ভিত্তিতে স্কুলশিক্ষা দপ্তরের উচ্চপর্যায়ের সম্মতিতে ‘হর ঘর বিমা’ কর্মসূচির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওই নির্দেশিকায় সমস্ত স্কুলের প্রধানদের নিজ নিজ স্কুল অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের সঙ্গে আলোচনা করে এই কর্মসূচি সফল করতে সাহায্যের অনুরোধ জানানো হয়েছে। এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হলো ছাত্রছাত্রীদের মাধ্যমে প্রত্যেকটি পরিবারে সঞ্চয় এবং জীবন সুরক্ষার বার্তা পৌঁছে দেওয়া। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জারি করা নির্দেশিকার কপি রাজ্যের স্কুলশিক্ষা কমিশনার এবং সমগ্র শিক্ষা মিশনের চেয়ারম্যান-সহ উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের কাছে পাঠানো হয়েছে। আর দ্রুত স্কুলগুলিতে এই সচেতনতা শিবির শুরু করতে হবে।