• facebook
  • twitter
  • youtube
Wednesday, 7 October, 2026

দুর্গাপুজোর অনুদান কবে মিলবে? নবান্ন থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে নির্দিষ্ট তারিখ!

তাছাড়া যেহেতু বড় পুজো কমিটিগুলি আর্থিক অনুদান নিচ্ছে না তার ফলে আপাতত ৫৮ হাজার পুজো কমিটির কাছে আর্থিক সহায়তা

দুর্গাপুজোর অনুদান কবে মিলবে? নবান্ন থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে নির্দিষ্ট তারিখ!

Durga Puja Photo-SNS

হাতে বেশি সময় নেই। মণ্ডপসজ্জা শেষের পথে বেশিরভাগ পুজো কমিটির। আর তো ৯ দিন পর মহাষষ্ঠী। দেবীর বোধন হবে সেদিন। তার আগে মহালয়া রয়েছে। ১০ অক্টোবর মহালয়া পালিত হবে। অর্থাৎ পিতৃপক্ষের শেষ হয়ে দেবীপক্ষের শুরু হয়ে যাবে। এই আবহে বেশ কিছু পুজো কমিটির প্রশ্ন, দুর্গাপুজোর অনুদান কবে মিলবে? তবে নবান্ন সূত্রে খবর, মাতৃপক্ষ শুরু হলেই এক লক্ষ টাকার চেক দেওয়া শুরু করবে রাজ্য সরকার। আগামী রবিবার থেকে চেক বিলি শুরু হয়ে যাবে। সুতরাং এখন দিন গোনা শুরু করে দিয়েছে পুজো উদ্যোক্তারা।

প্রশাসনিক সূত্রে খবর, এই অনুদানের চেক দেওয়া হবে থানার মাধ্যমে। থানা চেক পৌঁছে দেবে পুজো কমিটিগুলির কাছে। আর এই বিষয়ে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে স্থানীয় এলাকার বিধায়কদের উপস্থিতিতে চেক বিলি হবে। কারণ, সোমবার মন্ত্রীসভার বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মন্ত্রীদের এমনই নির্দেশ দিয়েছেন। এটা পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের প্রথম দুর্গাপুজো। তাই নিয়ম, রীতি মেনেই কাজ করতে চাইছে রাজ্য সরকার। আর ১১ অক্টোবর তারিখ থেকে নিজ নিজ এলাকায় থেকে এই অনুদানের চেক বিলির কাজ তদারকি করার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী দিয়েছেন মন্ত্রী-বিধায়কদের। যাতে পুজো কমিটিগুলি নির্দিষ্ট সময়ে চেক পায়।

এই বছর কত সংখ্যক দুর্গাপুজো হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে? আর কতজন পাবে দুর্গাপুজোর অনুদান? উঠছে প্রশ্ন। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ২০২৫ সালে কলকাতার তিন হাজার পুজো মিলিয়ে রাজ্যজুড়ে মোট দুর্গাপুজোর সংখ্যা ছিল ৪৫ হাজার। সকলেই পেয়েছিল ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান পেয়েছিল। তবে এবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আর্জি মেনে অনেক পুজো কমিটি টাকা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তার জেরে দুর্গাপুজোর সংখ্যা এবং অনুদান নিয়েছে এমন পুজোর সংখ্যার মধ্যে ফারাক থাকছে। এমনকী ২০২৬ সালের দুর্গাপুজোয় এখনও পর্যন্ত অনুমতি চেয়ে ৬৪ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। সুতরাং নতুন পুজোর সংখ্যা প্রায় ১৯ হাজার।

তাছাড়া যেহেতু বড় পুজো কমিটিগুলি আর্থিক অনুদান নিচ্ছে না তার ফলে আপাতত ৫৮ হাজার পুজো কমিটির কাছে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা করছে রাজ্য সরকার। সেক্ষেত্রে রাজ্যের খরচ হতে পারে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা। আর দুর্গাপুজোর অনুমতি চেয়ে সবচেয়ে বেশি আবেদন করেছে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রায় ৫,৩০০। তারপর চন্দননগর এবং হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট এলাকা মিলিয়ে আবেদন জমা পড়েছে ২৫০০। গ্রামীণ হুগলিতে এই সংখ্যা ৪৫০০, ব্যারাকপুরে ৩৫০০, বীরভূমে ৩৬০০, আলিপুরদুয়ার ১০০০ জলপাইগুড়ি ১৪০০, শিলিগুড়ি ১০০০ এবং দার্জিলিং ৪০০।