স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কুমিল্যা হত্যা মামলার তদন্তে এল গতি। অভিযুক্ত এবং অপসারিত প্রশান্ত বর্মণের নিউটাউনের আবাসনের ফ্ল্যাটে বুধবার রাতে চলল তল্লাশি। তল্লাশি চালালো তদন্তকারী দল সিট। তল্লাশি অভিযানে সিটের সঙ্গে ছিল এসটিএফ এবং ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের একটি দল।
ফ্ল্যাট থেকে বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। ফ্ল্যাট থেকে বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে পলাতক প্রশান্তের খোঁজে তল্লাশি আরও জোরদার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রের খবর, তদন্তের পরিধি বাড়াতে সিটের সঙ্গে এসটিএফকে যুক্ত করা হয়েছে। যদি অভিযুক্ত ভিনরাজ্যে আত্মগোপন করে থাকেন, তবে নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করতে এসটিএফ অন্য রাজ্যেও অভিযান চালাবে। প্রসঙ্গত, জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জে বিডিও হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন প্রশান্ত বর্মণের বিরুদ্ধে সল্টলেকের স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কুমিল্যাকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার তদন্তে নামে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট এবং গঠন করা হয় বিশেষ তদন্তকারী দল। দীর্ঘ টালবাহানার পর তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারি হলেও তিনি অধরা থেকে যান। আদালত অত্মসমর্পণের নির্দেশ দিলেও তা মানেননি তিনি।
এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছিল, খুনের মামলার অভিযুক্ত হওয়া সত্ত্বে কেন তাঁকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হচ্ছে না। তদন্তে তাঁর প্রভাবশালী যোগাযোগের অভিযোগও সামনে আসে। একাধিকবার তল্লাশি চালিয়েও তাঁর হদিশ মেলেনি। এরই মধ্যে গত জুন মাসে নিউটাউনে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে এক পথচারীকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগে প্রশান্ত বর্মণকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।
পরে তিনি সেই মামলায় জামিন পান। তারপর থেকেই তিনি ফের নিখোঁজ। ফলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়। অন্য মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পরও তাঁকে কেন হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হল না, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। অবশেষে সেই ফাইল খুলল এবং সিটের সঙ্গে যুক্ত করা হল এসটিএফকে




