রাজ্যের সমস্ত সরকারি, আধা-সরকারি স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীদের মিড ডে মিলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ইসকনকে। যে কারণে সেলফ হেল্প গ্রুপে আড়াই লক্ষ মহিলা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। এই অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন আইনজীবি শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়।
বুধবার মামলার শুনানিতে মামলাকারীর পক্ষে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে দাবি করেন কোনও টেন্ডার ছাড়াই ইসকনকে মিড ডে মিলের রান্নার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এটা অগণতান্ত্রিক এবং আইন বিরুদ্ধ কাজ। বাজেট অধিবেশন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একথা ঘোষণা করেছিলেন। এই ঘোষণার পরেই এ রাজ্যের আড়াই লক্ষ মহিলা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। অবিলম্বে আদালতের হস্তক্ষেপের দাবি জানান তিনি।
রাজ্যের এডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র জানিয়েছেন, মামলাটির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে রাজ্যের তরফে কোনও নোটিফিকেশন জারি হয়নি।এই পরিপ্রেক্ষিতে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং এ কথা রাজ্য বিধানসভায় ঘোষণা করেছেন।
কলকাতার বিভিন্ন সরকারি স্কুলগুলিতে মহিলারা মিড ডে মিলে রান্নার কাজ করতেন। আজকে তাঁরা কাজ হারিয়ে বসেছেন। যদিও মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভার বক্তব্য প্রসঙ্গে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল জানিয়েছেন, এ বিষয়ে বললেও আইনিভাবে কোনও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি।
বিচারপতি চক্রবর্তীর পর্যবেক্ষণ যখন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়নি তাহলে কেন এই মামলা শুনানি গ্রহণ করবে হাইকোর্ট? ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায় ডিভিশন বেঞ্চ চার সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যের হলফনামা তলব করেছেন ।




