• facebook
  • twitter
  • youtube
Wednesday, 16 September, 2026

কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে থানায় দায়ের এফআইআর, তলব করল বারাসত থানা

অন্যদিকে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে নবান্নে বৈঠক করেছিলেন কাকলি

কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে থানায় দায়ের এফআইআর, তলব করল বারাসত থানা

Kakoli Ghoshdastidar-Kunal Ghosh Photo-ANI

এনসিপিআই সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার অভিযোগ করেছেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে অভিযোগ জানানোর প্রেক্ষিতে কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হল বারাসত থানায়। এই ঘটনায় কুণাল ঘোষকে থানায় হাজির হওয়ার জন্য সমনও পাঠানো হয়েছে বলে খবর। সমাজমাধ্যমে কাকলিকে বারবার অপমান করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে এমনই অভিযোগ জানিয়ে ছিলেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার। তার ভিত্তিতে উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়। তলব করা হয় কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়ক কুণাল ঘোষকে।

এদিকে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস পরাজিত হওয়ার পর ২০ জন সাংসদ দল ছেড়ে বেরিয়ে এনসিপিআই দলে যোগ দেন। তার পর থেকেই তাঁদের লাগাতার আক্রমণ করেছেন কুণাল ঘোষ বলে অভিযোগ। সমাজমাধ্যমে কাকলিকে অপমান, হেনস্থা এবং গালমন্দ করা হয়েছে বলে বারবার অভিযোগ তুলেছেন কাকলি ঘোষদস্তিদার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে কাকলি অভিযোগ করেন, নাগাড়ে সমাজমাধ্যমে তাঁকে অসম্মান করা হচ্ছে। তাঁর অভিযোগের নিশানায় ছিলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এরপর প্রশাসনিক স্তরে তৎপরতা শুরু হয়। কাকলির অভিযোগের ভিত্তিতে বারাসত থানায় কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তাঁকে থানায় তলব করা হয়েছে।

অন্যদিকে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে নবান্নে বৈঠক করেছিলেন কাকলি। কুণাল ঘোষের একটি পোস্ট নিয়েই আপত্তি তোলেন সাংসদ। তাঁর দাবি, ওই পোস্টে তাঁর প্রতি অপমানজনক মন্তব্য করা হয়েছে। সমাজমাধ্যমে কাকলি লিখেছিলেন, ‘সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে আইটি সেল থেকে যে অসভ্য গালাগাল দেওয়া হচ্ছে আমাকে ও আমার পরিবারকে, সেই নাম মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে দিলাম। তিনি যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা করবেন আশ্বাস দিয়েছেন।’ তবে এফআইআরে কোন কোন ধারা দেওয়া হয়েছে এবং কুণাল ঘোষকে কবে থানায় হাজির হতে বলা হয়েছে সেটা এখনও স্পষ্ট নয়।

তাছাড়া কুণাল ঘোষ সমাজমাধ্যমে লিখেছিলেন, ‘আমি প্রচণ্ড ভয়ে কাঁপছি। কেউ আমাকে একটা কম্বল দেবেন? ভাবছি, কোনও পাগল যদি হঠাৎ কামড়ে দেয়।’ কুণাল ঘোষ পুলিশের সমন পাওয়ার কথা স্বীকার করলেও বিষয়টি নিয়ে কিছু বলতে চাননি। আর কাকলি ঘোষদস্তিদার সোজাসুজি জানিয়ে দেন, ‘বিচারাধীন বিষয়ে আমি কোনও মন্তব্য করব না।’ তবে এই ঘটনার জল কতদূর গড়ায় এখন সেটাই দেখার।