একাধিক সাইবার প্রতারণার মামলায় অভিযুক্ত। খোঁজ চালাচ্ছিল কর্নাটক পুলিশ ও সিআইডি। তাঁর বিরুদ্ধে জারি হয়েছিল লুকআউট নোটিস। শেষ পর্যন্ত কলকাতা বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার হলেন অভিযুক্ত শেখ সাবির।
মঙ্গলবার ভোররাতে দুবাই পালানোর ছক বানচাল করে তাঁকে আটক করেন বিমানবন্দরের অভিবাসন দপ্তরের আধিকারিকরা। পরে তাঁকে তুলে দেওয়া হয় নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থানার পুলিশের হাতে।
পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ভোররাতে কলকাতা থেকে দুবাই যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল সাবিরের। সেই মতো বিমানবন্দরে পৌঁছতেই তাঁকে আটক করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি থাকায় অভিবাসন দপ্তরের আধিকারিকরা দ্রুত পদক্ষেপ করেন। এরপর বিমানবন্দর থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। খবর দেওয়া হয়েছে কর্নাটক পুলিশকেও।
তদন্তকারীদের অভিযোগ, কর্নাটকের একটি বড় সাইবার জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন শেখ সাবির। আর্থিক প্রতারণার পাশাপাশি ডিজিটাল গ্রেপ্তারের ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে বেঙ্গালুরু সিটি সাইবার অপরাধ থানায় মামলা দায়ের হয়। দীর্ঘদিন খোঁজ না মেলায় তাঁর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করা হয়েছিল।
ধৃতকে ট্রানজিট রিমান্ডে কর্নাটকে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সেই মর্মে আদালতে আবেদন জানানো হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।




