• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 29 August, 2026

সিপিএম নেত্রী অবৈধ পথে পিএইচডি’তে ভর্তি, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটেছে অভিযোগ এবিভিপি’র

এবিভিপি এই অভিযোগ তুলতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, সত্যিই কি আফরিন অবৈধ পথে বেআইনিভাবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে

সিপিএম নেত্রী অবৈধ পথে পিএইচডি’তে ভর্তি, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটেছে অভিযোগ এবিভিপি’র

CPI(M) Afreen Begum Photo-SNS

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবৈধ পথে পিএইচডি কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়। তাই তো ওই অবৈধ পথেই পিএইচডি’তে ভর্তি হয়েছেন সিপিএম নেত্রী আফরিন বেগম। এমনই অভিযোগ তুলেছে এবিভিপি। সিপিএম নীতি-নৈতিকতার কথা মুখে বললেও এমন কাজই করেছে বলে তাদের অভিযোগ। কদিন আগেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস তেতে উঠেছিল বাম ছাত্র সংগঠন এবং এবিভিপি’র মধ্যে। তখন বাম ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে নানা অভিযোগ তোলা হয়েছিল এবিভিপি’র বিরুদ্ধে। এবার বড় অভিযোগ সিপিএমের নেত্রীর বিরুদ্ধে তুলল এভিবিপি। যা নিয়ে এখন আলোড়ন পড়ে গিয়েছে রাজ্য-রাজনীতিতে।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘আধিপত্য’ ধরে রাখতে বাম ছাত্র সংগঠন এবং এবিভিপি’র মধ্যে বেড়ে ওঠা চাপানউতোর যখন তুঙ্গে তখন শনিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি ভর্তিতে দুর্নীতির অভিযোগ তুলল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)। এমনকী এই বিষয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছে গেরুয়া ছাত্র সংগঠন। এবিভিপি’র অভিযোগ, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বালিগঞ্জ কেন্দ্রের সিপিএম প্রার্থী আফরিন বেগম অবৈধভাবে পিএইচডি’তে ভর্তি হয়েছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে।

এবিভিপি এই অভিযোগ তুলতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, সত্যিই কি আফরিন অবৈধ পথে বেআইনিভাবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি কোর্সে ভর্তি হয়েছেন? এই বিষয়টি নিয়ে আফরিন বেগমকে ফোন করা হলে তিনি ধরেননি। ফলে বিষয়টি কতটা সত্য বা মিথ্যে সে বিষয়ে প্রতিক্রিয়া মেলেনি। বামেদের নতুন প্রজন্মের মুখেদের অন্যতম হলেন আফরিন বেগম। সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই থেকেই উত্থান আফরিনের। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শনের গবেষক তিনি। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় মহম্মদ সেলিমের পাশে প্রথম দেখা যায় আফরিন বেগমকে।

এমনকী বিধানসভা নির্বাচনের সময় একাধিক অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আফরিন। ভোট নিয়ে তাঁর তোলা অভিযোগের জেরেই রাজনীতির ময়দানে পরিচিত হন তিনি। তবে প্রবীন তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের কাছে হেরে যান আফরিন। এখন তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধ পথে পিএইচডি কোর্সে ভর্তির অভিযোগ তুলল এবিভিপি। এই বিষয়ে এবিভিপি’র নেতা তথা কেন্দ্রীয় কার্যসমিতির সদস্য শুভব্রত অধিকারী বলেন, ‘যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি দুর্নীতির বিস্ফোরক অডিও ভাইরাল হয়েছে। বছরের পর বছর বিশ্ববিদ্যালয় একটি ভর্তি পরীক্ষা নেয়। আর তারপর বাম-অতিবামপন্থী ছাত্রদের পিছনের দরজা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়। বালিগঞ্জের বিধানসভা প্রার্থী আফরিন অবৈধভাবে পিএইডি’তে ভর্তি হয়েছেন। নিজের সাবজেক্ট না পেয়ে যাদবপুরে বেআইনিভাবে পিএইচডি’তে অন্য বিষয়ে অ্যাডমিশন নিয়েছেন। পার্থপ্রতিম রায় এই দুর্নীতির মাথা।’ যদিও পাল্টা সুজন চক্রবর্তী জানান, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালেয়র ছেলে মেয়েরা মুক্ত চিন্তায় বিশ্বাসী। ওরা চায় গৃহপালিত করে রাখতে। সেটা যাদবপুরের ছাত্ররা চায় না।