• facebook
  • twitter
Friday, 9 January, 2026

সোনমের গ্রেপ্তারি নিয়ে তাঁর স্ত্রীর আবেদনের শুনানি আজ

আংমো বলেন, ২৪ শে সেপ্টেম্বর লেহ-তে ঘটে যাওয়া দুর্ভাগ্যজনক হিংস্রতার ঘটনাকে কোনওভাবেই ওয়াংচুকের কর্মকাণ্ড বা তাঁর ইন্ধন বলে দায়ী করা যাবে না।

ফাইল চিত্র

লাদাখে গণবিক্ষোভ চলাকালীন গ্রেপ্তার করা হয়েছিল জলবায়ু কর্মী সোনম ওয়াংচুককে। সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি জে আংমো সোনমের মুক্তি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন। আবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, এই আটক অবৈধ এবং মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনকারী একটি স্বেচ্ছাচারী পদক্ষেপ। বর্তমানে রাজস্থানের যোধপুর জেলে বন্দি সোনম। তাঁর স্ত্রীর আবেদনের শুনানি আজ শীর্ষ আদালতে। লাদাখকে রাজ্যের মর্যাদা এবং ষষ্ঠ তফসিলের মর্যাদার দাবিতে হিংসাত্মক বিক্ষোভ শুরু হয়।

এই বিক্ষোভের জেরে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ৪ জন নিহত এবং ৯০ জন আহত হন। সরকার সোনম ওয়াংচুকের বিরুদ্ধে হিংসায় ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগ আনে। বিক্ষোভের ২ দিন পর, ২৬ সেপ্টেম্বর ওয়াংচুককে কঠোর জাতীয় নিরাপত্তা আইন তথা এনএসএ-র অধীনে আটক করা হয়েছিল। আবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষমতার এই ধরণের স্বেচ্ছাচারী প্রয়োগ কর্তৃত্বের চরম অপব্যবহার। এটি সাংবিধানের স্বাধীনতার মূলে আঘাত করে। আবেদনে বলা হয়েছে যে, লাদাখ এবং ভারত জুড়ে তৃণমূল স্তরের শিক্ষা, উন্নয়ন এবং পরিবেশ সংরক্ষণে অবদানের জন্য তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজ্য, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি পেয়েছেন ওয়াংচুক। তাঁকে হঠাৎ করে লক্ষ্যবস্তু করা সম্পূর্ণভাবে হাস্যকর।

Advertisement

আংমো বলেন, ২৪ শে সেপ্টেম্বর লেহ-তে ঘটে যাওয়া দুর্ভাগ্যজনক হিংস্রতার ঘটনাকে কোনওভাবেই ওয়াংচুকের কর্মকাণ্ড বা তাঁর ইন্ধন বলে দায়ী করা যাবে না। আংমো বলেন, ওয়াংচুক নিজেই তাঁর সমাজ মাধ্যম হ্যান্ডেলের মাধ্যমে হিংসার নিন্দা করেছেন এবং স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, হিংসা লাদাখের ‘তপস্যা’ এবং ৫ বছরের শান্তিপূর্ণ সাধনাকে ব্যর্থ করে দেবে। তিনি আরও বলেন যে, এটি তাঁর জীবনের সবচেয়ে দুঃখজনক দিন। এনএসএ কেন্দ্র এবং রাজ্যগুলিকে ‘ভারতের প্রতিরক্ষার জন্য ক্ষতিকর’ আচরণ থেকে বিরত রাখতে ব্যক্তিদের আটক করার ক্ষমতা দেয়। সর্বোচ্চ আটকের সময়কাল ১২ মাস, যদিও এটি আগেও প্রত্যাহার করা যেতে পারে।

Advertisement

Advertisement