• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 20 June, 2026

পশ্চিবঙ্গ দিবস নিয়ে শুভেচ্ছা বার্তা প্রধানমন্ত্রীর, শুভেচ্ছা অমিত শাহরও

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর সঙ্গে রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিকরা এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও থাকবেন

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বাংলায় বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও বাংলায় শুভেচ্ছাবার্তা দিয়েছেন। শনিবার হুগলি তারকেশ্বরে সরকারি উদ্যোগে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালনের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর সঙ্গে রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিকরা এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও থাকবেন।  প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে তারকেশ্বরজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

১৯৪৭ সালের ২০ জুন বাংলার প্রাদেশিক আইনসভায় পশ্চিমবঙ্গকে ভারতে অন্তর্ভুক্ত রাখার প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল। সেই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের স্মরণে দিনটি পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে পালিত হয়। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে উল্লেখ করা হয়। এবারের অনুষ্ঠানে তাঁকে বিশেষভাবে স্মরণ করা হবে। রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর প্রথমবার সরকারি উদ্যোগ ব্যাপক পরিসরে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালিত হচ্ছে।

সমাজ মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী মোদী লেখেন, সাহিত্য, সংস্কৃতি, সঙ্গীত, বিজ্ঞান, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সমাজ সংস্কারের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের উন্নয়ন ও জাতীয় চেতনাকে সমৃদ্ধ করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ২০ জুন পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এক বিশেষ দিন, কারণ এই দিনেই নিশ্চিত হয়েছিল যে পশ্চিবঙ্গ ভারতের অংশ হিসেবেই থাকবে। পাশাপাশি তিনি শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদানেরর কথা স্মরণ করে জানান, ২০২৬ সালে তাঁর ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী পালিত হচ্ছে। রাজ্যেরর উন্নয়নে বাংলার সরকারের সঙ্গে একযোগে কাজ করার আশ্বাসও দেন প্রধানমন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁর শুভেচ্ছাবার্তায় লেখেন, পশ্চিমবঙ্গ দেশের সাংস্কৃতিক ও বৌদ্ধিক ঐতিহ্যের অন্যতম কেন্দ্র। ভক্তি আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম, নবজাগরণ এবং আধুনিক ভারত গঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে বাংলার অবদান অনস্বীকার্য। তিনি স্বামী বিবেকানন্দ, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মতো মনীষীদের স্মরণ করেন। পাশাপাশি রাজ্যবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধই কামনা করে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা জানান।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে তারকেশ্বরের বালিগড়ি মাঠে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মঞ্চ সাজাতে থাইল্যান্ড ও উটির বিশেষ ফুল ব্যবহার করা হয়েছে। অগ্নিনির্বাপণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ দিবসের অনুষ্ঠানে শেষ প্রধানমন্ত্রী কলকাতায় আসবেন এবং লোকভবনে রাত্রিযাপন করবেন। পরদিন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে রেড রোডের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে দিল্লি ফিরে যাবেন।