দীর্ঘ ছয় বছর বন্ধ থাকার পর ২০২৫-এ পুনরায় চালু হয়েছিল সিকিমের নাথুলা রুট দিয়ে কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা। সেই ধারাবাহিকতায় আগামী ২০ জুন থেকে এ বছরের তীর্থযাত্রা শুরু হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই যাত্রার প্রশাসনিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
সিকিম ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান লোকেন্দ্র রসাইলি জানিয়েছেন, প্রথম দফার তীর্থযাত্রীরা ১৫ জুন সিকিমে পৌঁছবেন। উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলের আবহাওয়ার সঙ্গে শরীরকে মানিয়ে নেওয়ার জন্য তাঁদের ধাপে ধাপে অ্যাক্লিমাটাইজেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
১৬ ও ১৭ জুন তীর্থযাত্রীরা ১৮ মাইল এলাকার বিশেষ কেন্দ্রে থাকবেন। এরপর ১৮ ও ১৯ জুন তাঁদের চাঙ্গু লেক সংলগ্ন অ্যাক্লিমাটাইজেশন সেন্টারে স্থানান্তর করা হবে। প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যপরীক্ষা ও প্রস্তুতি শেষে ২০ জুন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হবে।
এ বছর প্রায় ১,৫০০ আবেদনকারীর মধ্যে লটারির মাধ্যমে ৫০০ জনকে নির্বাচিত করা হয়েছে। ২০ জুন থেকে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত মোট ১০টি ব্যাচে এই যাত্রা পরিচালিত হবে। প্রতিটি ব্যাচে থাকবেন ৫০ জন তীর্থযাত্রী।
তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য প্রতিটি দলে একজন লিয়াজোঁ অফিসার এবং একজন মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট থাকবেন। তিব্বতের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে প্রবেশের পর প্রতিটি ব্যাচ প্রায় ১২ দিনের যাত্রা সম্পন্ন করে ভারতে ফিরে আসবে।
উল্লেখ্য, গত বছর নাথুলা রুট দিয়ে ৪৫১ জন তীর্থযাত্রী কৈলাস মানস সরোবর যাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন। এ বছর সেই সংখ্যা বেড়ে ৫০০-তে পৌঁছেছে, যা এই ঐতিহ্যবাহী তীর্থযাত্রার প্রতি মানুষের আগ্রহ বৃদ্ধিরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।