• facebook
  • twitter
  • youtube
Thursday, 13 August, 2026

বিহারে পুলিশের সঙ্গে গুলির লড়াই, অবৈধ মদ ব্যবসা সন্দেহে ধৃত যুবক

জেলা প্রশাসন অবৈধ মদের চক্রের বিরুদ্ধে কড়া অভিযান শুরু করেছে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত আরও কয়েকজনকে ধরতে তল্লাশি অভিযান এখনও চলছে।

বিহারে পুলিশের সঙ্গে গুলির লড়াই, অবৈধ মদ ব্যবসা সন্দেহে ধৃত যুবক

বিহারের সারন জেলায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হল অবৈধ মদ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন এক যুবক। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গুলির লড়াইয়ের পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার গভীর রাতে মসরাখ এবং পানাপুর থানার সীমানা এলাকায়।

পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত যুবকের নাম সূরজ মাহতো। বয়স ২৬ বছর। সে পানাপুর থানার অন্তর্গত মিথওয়া গ্রামের বাসিন্দা। অবৈধ ও বিষাক্ত মদ সরবরাহের অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরেই তার বিরুদ্ধে নজরদারি চালাচ্ছিল পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই সে পলাতক ছিল।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ প্রথমে তাকে কাটিহার এলাকায় খুঁজে বের করে এবং গ্রেপ্তার করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে সারন জেলার ছাপরায় নিয়ে আসা হয়। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ তাকে মসরাখ-পানাপুর সীমান্ত এলাকায় নিয়ে গিয়ে অবৈধ মদের মজুত উদ্ধার এবং চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছিল।

সেই সময় আচমকাই অভিযুক্তের সহযোগীরা পুলিশের উপর গুলি চালায় বলে অভিযোগ। সঙ্গীকে উদ্ধার করার উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। পাল্টা আত্মরক্ষার্থে পুলিশও গুলি চালায়। দুই পক্ষের গুলির লড়াইয়ের মধ্যেই সূরজ মাহতো পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়।

পুলিশ তাকে সঙ্গে সঙ্গে আটক করে এবং পরে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। বর্তমানে তার চিকিৎসা চলছে এবং ঘটনার তদন্তও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি সারন জেলায় বিষাক্ত মদ খেয়ে পাঁচ জনের মৃত্যুর ঘটনা সামনে এসেছে। ১১ মার্চ থেকে ১৩ মার্চের মধ্যে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। পানাপুর থানার অন্তর্গত একটি গ্রামে দুই জন এবং মসরাখ থানার এলাকায় তিন জনের মৃত্যু হয়।

এছাড়াও প্রায় ১২ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তাঁদের দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে যাওয়া এবং হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসার পর তাঁদের হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনার পর থেকেই জেলা প্রশাসন অবৈধ মদের চক্রের বিরুদ্ধে কড়া অভিযান শুরু করেছে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত আরও কয়েকজনকে ধরতে তল্লাশি অভিযান এখনও চলছে।