মঙ্গলবার সকাল থেকেই কেরল, কর্ণাটক-সহ তামিলনাড়ুর ২১টি জায়গায় একযোগে চলছে ইডির তল্লাশি। শবরীমালা মন্দিরে সোনা চুরি মামলায় অভিযুক্ত উন্নিকৃষ্ণণ পোট্টি, মন্ত্রী কান্দারারু রাজীভারু, এ পদ্মকুমার, মুরারি বাবু-সহ অন্যান্যদের বাড়িতেও তল্লাশি অভিযান চালায় ইডির বিশেষ তদন্তকারী দল। তল্লাশি চলছে ত্রিবাঙ্কুর দেবস্বম বোর্ডের সদর দপ্তরেও।
শবরীমালা আয়াপ্পা মন্দিরে সোনা চুরির অভিযোগ ওঠে। সেই মামলায় এদিন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অভিযান চালাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। কেরল পুলিশ একটি এফআইআর দায়ের করেছিল। সেই এফআইআর-এর ভিত্তিতে ইডি সম্প্রতি একটি পিএমএলএ মামলা করে। এদিন দিল্লি থেকে ইডির একটি বিশেষ দল এসেছে বলে খবর। সেই দলের আধিকারিকদের নেতৃত্বে কেরল, কর্ণাটক এবং তামিলনাড়ুর বিভিন্ন স্থানে চলছে তল্লাশি। তালিকায় রয়েছে অভিযুক্ত গোবর্ধনের মালিকাধীন বেঙ্গালুরুর গয়নার দোকানও। শবরীমালা মন্দিরের মামলায় প্রধান অভিযুক্ত উন্নকৃষ্ণন পোট্টির একাধিক সম্পত্তিতেও তল্লাশি চালায় গোয়েন্দারা।
Advertisement
গত ৯ জানুয়ারি শবরীমালা মন্দিরের সোনা চুরির ঘটনা সামনে আসে। চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মন্দিরের প্রধান পুরোহিত কান্দারারু রাজীভারুকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাজীভারু ছাড়াও এই মামলায় অপর দু’জন অভিযুক্ত হল উন্নিকৃষ্ণন পট্টি এবং প্রাক্তন ত্রিবাঙ্কুর দেবস্বম বোর্ডের সভাপতি পদ্মকুমার। তাঁদের দেওয়া বিবৃতি অনুযায়ী রাজীভারুকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলায় প্রধান অভিযুক্ত উন্নকৃষ্ণন পট্টির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল রাজীভারুর। সিট-এর তদন্তে এই তথ্য উঠে আসে। উন্নিকৃষ্ণন মন্দিরের দ্বারপালক ও শ্রীকোভিলের দরজার প্লেটগুলিতে সোনার প্রলেপ দেওয়ার সুপারিশ করেছিলেন।
Advertisement
২০১৯ সালের জুলাই মাসে মেরামতির কারণে মন্দিরের দ্বারপালক মূর্তি এবং দরজার সোনার আবরণ খোলা হয়েছিল। মোট সোনার সেই সময় ওজন ছিল ৪২.৮ কেজি। পরে সেই সোনার ওজন কমে হয় ৩৮ কেজি ২৫৮ গ্রাম। এই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত। এই ঘটনার তদন্তে নেমে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ সামনে আসে। তারই তদন্তে এদিন ইডি অভিযান চালায়।
Advertisement



