করোনা আবার ফিরে এসেছে। এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯-এ অন্ধ্রপ্রদেশে ১২ জন সংক্রমিত, এর মধ্যে চারজন মারা গেছেন। নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে, মানুষ একটু দুশ্চিন্তায় আছে। স্বাস্থ্য দপ্তরের সচিব জি বীরপান্ডিয়ান জানালেন, মৃতদের তিনজন ওয়াইএসআর কড়াপা জেলার আর একজন কাকিনাড়া জেলার বাসিন্দা। আগে থেকেই সবাই গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। পাঁচটি নমুনা ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি’তে পাঠানো হয়েছে, ওরা ভাইরাসের জেনেটিক সিকোয়েন্স পরীক্ষা করবে।
১২ জন আক্রান্তের মধ্যে আটজন ওয়াইএসআর কড়াপা জেলায়, দু’জন গুন্টুরে, একজন বিশাখাপত্তনম আর একজন কাকিনাড়ায়। আক্রান্তদের দু’জনের সংক্রমণ ছড়িয়েছে আগে আক্রান্তদের স্পর্শ থেকে। সচিব আবার সবাইকে অনুরোধ করেছেন আতঙ্ক না ছড়িয়ে সাবধান হতে, কোনো উপসর্গ দেখলে হাসপাতালে যেতে।
সংক্রমণ বাড়ার ফলে প্রশাসন জরুরি নির্দেশ দিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক, সরকারি জেনারেল হাসপাতাল আর টিচিং হাসপাতালের কর্তৃপক্ষকে। নমুনা সংগ্রহ, পরীক্ষা এবং সঙ্গে সঙ্গে আরটি-পিসিআর কিট, ভিটিএম কিট, পিপিই, মাস্ক, স্যানিটাইজার, অক্সিজেন ও প্রয়োজনীয় ওষুধ মজুত রাখতে বলেছে। কোভিড ওয়ার্ড খুলে রাখা হয়েছে। দরকারি অ্যান্টিবায়োটিক ও সাধারণ ওষুধও মজুত আছে— স্বাস্থ্য দপ্তর বলছে এমনই। তবে হাসপাতালগুলোতে ভিটিএম কিটের ঘাটতি চলছে, আর কিছু জায়গায় পিপিই কিটও কম পড়েছে।
২০২০ সালে যখন কোভিড-১৯ চরমে, তখন রাজ্য ৭.৫ কোটি পিপিই কিট কিনেছিল। মেয়াদ ফুরোতে এখনো প্রায় এক বছর বাকি, তার মধ্যেই ৪৫ লাখ কিট নষ্ট হয়ে গেছে। কীভাবে হলো, কেউ জানে না। এখন নতুন কিট কিনতে গেলে প্রতি কিটের দাম পড়তে পারে ৫০০ টাকা পর্যন্ত। সঙ্গে অনেক জায়গায় অক্সিজেন প্ল্যান্টগুলো এখন অচল হয়ে পড়ে আছে। সত্যি বলতে, পরিস্থিতি ধরে রাখতে এখনও অনেকটা পথ বাকি। যদিও প্রশাসন যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে পরিস্থিতির দিকে।




