• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 11 July, 2026

৩০ বছর ধরে অবৈধভাবে ভারতে বসবাস, মুম্বইয়ে ধৃত তিন বাংলাদেশি

একটি গোয়েন্দা সূত্র পুলিশের কাছে দম্পতির কিছু তথ্য পাঠিয়েছে। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, ধৃতরা বাংলাদেশ থেকে এসেছে।

৩০ বছর ধরে অবৈধভাবে ভারতে বসবাস, মুম্বইয়ে ধৃত তিন বাংলাদেশি

প্রতীকী চিত্র

অবৈধভাবে ভারতে বসবাসের অভিযোগে এক বাংলাদেশি দম্পতি ও তাদের সন্তানকে গ্রেপ্তার করল নবি মুম্বই পুলিশ। ওই দম্পত্তি ৩০ বছর ধরে ভারতে অবৈধভাবে বসবাস করত। তিন মাস ধরে ধৃতদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছিল।

পুলিশ আধিকারিকরা জানান, ২০২৪ সালে ২৪ নভেম্বর অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযানের সময় মানব পাচার বিরোধী সেল নবি মুম্বইয়ের পুলিশ ভাশির জুহুগাঁওয়ের একটি ফ্ল্যাটে বসবাসকারী শারো আবতাব শেখ (৪৮) এবং তার স্ত্রী সালমা সারো শেখ (৩৯) কে আটক করে এবং তাদের নথিপত্র পরীক্ষা করে।

পুলিশের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাদের ফ্ল্যাটের মালিকানার কাগজপত্র, আধার এবং প্যান কার্ড, পাসপোর্ট, ভোটার আইডি কার্ড, রেশন কার্ড এবং পশ্চিমবঙ্গের জয়নগরের একটি গ্রামীণ হাসপাতাল কর্তৃক জারি করা বার্থ সার্টিফিকেটের ফটোকপি জমা দেওয়ার পরে দম্পতিকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

পরে পুলিশ দম্পতির দেওয়া কাগজপত্র যাচাই করে। বার্থ সার্টিফিকেটের সত্যতা যাচাই করার জন্য মানব পাচার বিরোধী সেলের একটি টিম চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারী পশ্চিমবঙ্গের ওই গ্রামীণ হাসপাতালটি পরিদর্শন করে। নথিপত্র যাচাইয়ের সময়, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সিএমওএইচ নবি মুম্বই পুলিশকে জানান, দম্পতির দেখানো বার্থ সার্টিফিকেট জাল।

এছাড়াও, একটি গোয়েন্দা সূত্র পুলিশের কাছে দম্পতির কিছু তথ্য পাঠিয়েছে। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, ধৃতরা বাংলাদেশ থেকে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার মানব পাচার বিরোধী সেল ওই দম্পতি এবং তাদের ২২ বছর বয়সী ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে। ওই যুবকের জন্ম হয়েছে ভারতেই।

পুলিশ জানিয়েছে, বাংলাদেশি দম্পতি নিরাপত্তা কর্মীদের চোখ এড়িয়ে বোগানা সীমান্ত দিয়ে দেশে প্রবেশ করেছিলেন। ভারতে থাকার সময় টাকা দিয়ে প্রয়োজনীয় সমস্ত পরিচয়পত্রও সংগ্রহ করেছিল তারা।

পুলিশ জানিয়েছে যে ভারতীয় দণ্ডবিধির (বিএনএস) অধীনে তিনজনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এই তিনজনের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ধারা ৩১৮(৪) (ছদ্মবেশে প্রতারণা), ৩৩৬(২) (জালিয়াতি), ৩৩৮ (উইল জালিয়াতি) এবং ৩৪০(১) (জাল নথি বা ইলেকট্রনিক রেকর্ডকে আসল হিসেবে ব্যবহার করা) এবং পাসপোর্ট (ভারতে প্রবেশের জন্য) আইন এবং বিদেশি আইনের অধীনে মামলা করা হয়েছে।