• facebook
  • twitter
Friday, 29 May, 2026

জ্বালানি সংকটের প্রভাব এবার আকাশপথে

জুন থেকে আগস্ট দেশের ডোমেস্টিক উড়ানের সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের দুই বৃহত্তম বিমান সংস্থা ইন্ডিগো এবং এয়ার ইন্ডিয়া।

বিগত কয়েক মাস ধরে পশ্চিম এশিয়ার অস্থির পরিস্থিতির জেরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে চাপ ক্রমশ বাড়ছে। তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতের বিমান পরিষেবাতেও। জ্বালানির খরচ বৃদ্ধি এবং পরিচালনাগত চাপের কারণে জুন থেকে আগস্ট দেশের ডোমেস্টিক উড়ানের সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের দুই বৃহত্তম বিমান সংস্থা ইন্ডিগো এবং এয়ার ইন্ডিয়া।

সূত্রের খবর, দুই সংস্থার দেওয়া সূচি অনুযায়ী প্রতিদিন অন্তত ২৫০টি ডোমেস্টিক উড়ান বাতিল হতে পারে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন বড় শহরের যাত্রীরা সমস্যার মুখে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে দিল্লি, মুম্বই, কলকাতা, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ এবং চেন্নাইয়ের মতো ব্যস্ত বিমানবন্দরগুলিতে যাত্রীচাপ আরও বাড়তে পারে।

Advertisement

বিমান সংস্থাগুলির দাবি, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েল (এটিএফ)-এর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি কিছু রুটে যাত্রীসংখ্যা এবং পরিচালন ব্যয়ের ভারসাম্য বজায় রাখতেও সমস্যা হচ্ছে। সেই কারণেই সাময়িক ভাবে উড়ানের সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

বিশেষজ্ঞদের মতে, পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে তার প্রভাব আরও গভীর হতে পারে। কারণ ভারতের বিমান শিল্প অনেকটাই আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের উপর নির্ভরশীল। জ্বালানির দাম বাড়লে বিমান সংস্থাগুলির খরচও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যায়। সেই চাপ সামাল দিতেই অনেক ক্ষেত্রে উড়ান কমানো বা টিকিটের দাম বাড়ানোর পথে হাঁটতে হয় সংস্থাগুলিকে।

এই পরিস্থিতিতে গ্রীষ্মের ছুটি এবং উৎসবের মরসুমে যাতায়াত পরিকল্পনা করা যাত্রীদের আগে থেকেই সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কারণ শেষ মুহূর্তে উড়ান বাতিল বা সময়সূচির পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। বিমান সংস্থাগুলিও যাত্রীদের নিয়মিত ফ্লাইট আপডেট দেখে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পরিষেবা ফের আগের মতো চালু করা হবে বলেই জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল। আপাতত আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির উপরই নজর রাখছে ভারতের বিমান শিল্প।

Advertisement