• facebook
  • twitter
  • youtube
Wednesday, 17 June, 2026

এক ধাক্কাতে অনেকটা উঠল ডিফেন্স স্টকের দর

আজ সকাল থেকে অনেকটা স্বস্তিতে প্রতিরক্ষা সেক্টরের বিনিয়োগকারীরা। কারণ একের পর এক জনপ্রিয় ডিফেন্স স্টক লাফ মারল অনেকটা।

আজ সকাল থেকে অনেকটা স্বস্তিতে প্রতিরক্ষা সেক্টরের বিনিয়োগকারীরা। কারণ একের পর এক জনপ্রিয় ডিফেন্স স্টক লাফ মারল অনেকটা। আর সেই সঙ্গে বিনিয়োগকারীরাও পোর্টফোলিও সামাল দিলেন নিজের মত করে।

আসলে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানা গিয়েছে, ২০২৬ অর্থবর্ষে ভারতের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের হার ১.৭৮ লক্ষ কোটিতে পৌঁছে গিয়েছে। আজ পারসস ডিফেন্স অ্যান্ড স্পেস টেকনলোজির শেয়ার দর বৃদ্ধি পেয়েছে ১১.৭৮ শতাংশ। হিন্দুস্তান অ্যারোনটিকস লিমিটেডের শেয়ার দর বৃদ্ধি পেয়েছে ৩.৫৮ শতাংশ। অন্যদিকে ভারত ডায়নামিক্সের শেয়ার দর বৃদ্ধি পেয়েছে ৪.২৫ শতাংশ।

অন্যদিকে মাজগাঁও ডক শিপবিল্ডার্সের শেয়ার দর বৃদ্ধি পেয়েছে ২.৩৭ শতাংশ । ভারত ইলেকট্রনিক্সের শেয়ার দর বেড়েছে ১.৬১ শতাংশ। এছাড়াও ভারত ফর্জের শেয়ার দর বেড়েছে ০.৫১ শতাংশ। আসলে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে ২০২৬ অর্থবর্ষে ভারতের প্রতিরক্ষা সামগ্রী উৎপাদন করেছে ১.৭৮ লক্ষ কোটির। যা কিনা সর্বকালের সর্বোচ্চ। যা গত অর্থবর্ষের তুলনায় ১৫.৬ শতাংশ বেশি।

কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এই সাফল্যকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারত একদম সঠিক হাতেই রয়েছে। পাশাপাশি জানানো হয়েছে রফতানির অঙ্কও। ২০২৬ অর্থবর্ষে ভারত ৩৮,৪২৪ কোটির প্রতিরক্ষা সামগ্রী রফতানি করেছে বিভিন্ন দেশে। আর যা কিনা সম্পূর্ণভাবে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি। আর এই বিষয়টিই আরও বেশি করে জোয়ার এনেছে প্রতিরক্ষা স্টকে। বিশেষ করে অপারেশন সিঁদুরের পরে ভারতীয় প্রতিরক্ষা সামগ্রী নিয়ে ভয়ানক আগ্রহ তৈরি হয়েছিল আন্তর্জাতিক বাজারে। যেভাবে পাকিস্তানের একের পর এক হাতিয়ার ভারতের মিসাইল, প্রযুক্তি নিকেশ করেছিল তা নজর কেড়েছিল অনেক যুদ্ধ বিশেষজ্ঞদেরও। আর তারপর থেকেই একের পর এক দেশ ভারতীয় মিসাইল থেকে শুরু করে একাধিক প্রতিরক্ষা সামগ্রী, প্রযুক্তি কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল। আর তা সরাসরি প্রভাব ফেলেছিল দেশীয় অর্থনীতিতে। পাশাপাশি ‘আত্মনির্ভরতার’ পাঠ গোটা বিশ্বে সফল ভাবে দিতে পেরেছিল ভারত সরকার। তবে চলতি অর্থবর্ষে যেভাবে ভারতের প্রতিরক্ষা সামগ্রী নিজেদের গুরুত্ব আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়িয়ে নিয়েছে তা স্বস্তি দিয়েছে সকলকে। সেই সঙ্গে সেই তেজ এসেছে ভারতের দালাল স্ট্রিটেও। যার ফলে স্বস্তি পেয়েছে বিনিয়োগকারীরা।