• facebook
  • twitter
Friday, 23 January, 2026

প্রেক্ষাগৃহে গর্জে উঠল সানি দেওলের ‘বর্ডার ২’, নিষিদ্ধ উপসাগরীয় দেশগুলিতে

‘বর্ডার ২’ হল জে.পি. দত্ত পরিচালিত ১৯৯৭ সালের কাল্ট ছবি ‘বর্ডার’-এর সিক্যুয়েল। এই পর্বে আরও বড় পরিসরে তুলে ধরা হয়েছে ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ।

সানি দেওলের চেনা গর্জন আর দেশাত্মবোধক আবহ—সব মিলিয়ে আজ থেকেই সারা ভারতের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘বর্ডার ২’। সিনেমা হল ভর্তি দর্শক, চারদিকে তেরঙ্গার আবহ—দেশজুড়ে ছবির মুক্তিকে ঘিরে উৎসবের মেজাজ স্পষ্ট। তবে ভারতের এই উদযাপনের ঠিক উল্টো ছবি ধরা পড়ছে উপসাগরীয় দেশগুলিতে। সেখানে ‘বর্ডার ২’ নিষিদ্ধ। ফলে এই ছবিটিকে ঘিরে সেটাই এখন সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রসঙ্গত, ভারতে প্রায় ৪ হাজারের বেশি পর্দায় মুক্তি পেয়েছে ‘বর্ডার ২’, যা এটিকে অন্যতম বৃহৎ হিন্দি রিলিজে পরিণত করেছে। বাণিজ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রজাতন্ত্র দিবসের ছুটিকে মাথায় রেখেই নির্মাতারা বড় বাজি ধরেছেন। কারণ, যুদ্ধভিত্তিক ছবি আর জাতীয় উৎসব—এই যুগলবন্দি বক্স অফিসে বরাবরই সফল।

Advertisement

কেন উপসাগরীয় দেশগুলিতে নিষিদ্ধ ‘বর্ডার ২’? জানা গিয়েছে, বিদেশের বাজারে সবকিছু কণ্টকমুক্ত হয়নি। বলিউড হাঙ্গামা-র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাহরিন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে মুক্তি পাচ্ছে না এই ছবি। কারণ ছবিতে পাকিস্তান-বিরোধী বিষয়বস্তু।

Advertisement

উপসাগরীয় অঞ্চলে যে সব ছবি পাকিস্তান-বিরোধী বলে মনে করা হয়, সেগুলি প্রায়শই সেন্সরের ছাড়পত্র পায় না। ‘বর্ডার ২’-এর ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। নির্মাতারা ছবিটি অনুমোদনের জন্য জমা দিলেও শেষ পর্যন্ত ছাড়পত্র মেলেনি। উল্লেখ্য, এই তালিকায় ‘বর্ডার ২’ একা নয়। সম্প্রতি রণবীর সিং অভিনীত ‘ধুরন্ধর’ ছবিটিও একই কারণে উপসাগরীয় দেশগুলিতে মুক্তি পায়নি।

আর ‘বর্ডার ২’ হল জে.পি. দত্ত পরিচালিত ১৯৯৭ সালের কাল্ট ছবি ‘বর্ডার’-এর সিক্যুয়েল। এই পর্বে আরও বড় পরিসরে তুলে ধরা হয়েছে ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ। ছবিতে একসঙ্গে দেখানো হয়েছে ভারতীয় সেনা, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযান।

ছবিটিকে কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড থেকে ইউ/এ (১৩+) শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে। ছবির দৈর্ঘ্য ৩ ঘণ্টা ১৬ মিনিট, যা সাম্প্রতিক সময়ের দীর্ঘতম ভারতীয় যুদ্ধচিত্রগুলির মধ্যে অন্যতম।

Advertisement