• facebook
  • twitter
  • youtube
Thursday, 9 July, 2026

৫ রাজ্যের গুরুদ্বারে দেখানো হবে ‘সতলুজ’

শিখ সম্প্রদায়ের তরফে জানানো হয়েছে ৫ রাজ্যের সকল গুরুদ্বারে এই সিনেমা দেখানোর ব্যবস্থা করা হবে।

৫ রাজ্যের গুরুদ্বারে দেখানো হবে ‘সতলুজ’

Pic Source-SNS

দিলজিৎ দোসাঞ্জের ‘সতলুজ’ এই মুহূর্তে সিনে মহলে ভয়ানক প্রভাব ফেলেছে। ইতিমধ্যেই সিনেমাটি সরিয়ে ফেলা জনপ্রিয় ওটিটি প্লাটফর্ম জি৫ থেকে। শিখ সম্প্রদায়ের তরফে জানানো হয়েছে ৫ রাজ্যের সকল গুরুদ্বারে এই সিনেমা দেখানোর ব্যবস্থা করা হবে।

দীর্ঘ ৩ বছর পরে ভারতে মুক্তি পেয়েছিল হনি ত্রেহানের এই ছবি। মুক্তির আগেই ছবির নামও বদল করা হয়েছিল। এই ছবি সকলের দেখা উচিত বলে মনে করছে দিল্লির শিখ গুরুদ্বার কমিটি। ১৯৯৫ সালে পঞ্জাবের গণহত্যা ও তার বিরুদ্ধে মানবাধিকার কর্মী যশবন্ত সিং খালরার লড়াই এই সিনেমার মূল প্রেক্ষাপট। ৩ জুলাই এই সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছিল। কিন্তু তার ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই ছবিটি সরিয়ে দেওয়া হয় এবং ছবিটিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

দিল্লির শিখ সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে তারা বিভিন্ন জায়গায় ঘুরবেন। ঘুরে ঘুরে এই সিনেমা দেখাবেন ও আলোচনাসভার আয়োজন করবেন। ছবিটি ওটিটি থেকে তুলে দেওয়ার পরে দিলজিৎ সরাসরি অভিযোগ করে জানান,১৯৯৫ সাল থেকে পঞ্জাবের কন্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। যা এখনও বদলায়নি। তাঁর মতে এই ছবি সরিয়ে দেওয়া হলেও তা আর আটকানো যাবে না। কারণ সিনেমার গল্প বহু মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়েছে। আরও বলেন, সিনেমাটি কারো সাহায্য ছাড়া স্বাধীনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে।

এছাড়াও পঞ্জাবের শিরোমনি অকালি দলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, যেহেতু এই সিনেমা পঞ্জাবিদের নিয়ে, সেই কারণে ওয়েব প্ল্যাটফর্ম থেকে সিনেমাটি সরিয়ে নেওয়া হলেও, সেটি পঞ্জাবের গ্রামে গ্রামে পৌঁছে দিতেই হবে। সেই কারণে, শিখ গুরুদ্বার ম্যানেজমেন্ট কমিটির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, পঞ্জাবের গ্রামে গ্রামে ঘুরে এই শো দেখানো হবে। যেহেতু এই সিনেমা মানবাধিকার কর্মী যশবন্ত সিং খালরার জীবন নিয়ে, তাই সুখবীর সিং বাদল তথা শিরোমণি অকালি দল মনে করছে, এই সিনেমা দেখতে না দেওয়ার অর্থ হচ্ছে, পঞ্জাবের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে মুছে ফেলা।

 

 

কীভাবে একজন সমাজকর্মী সমাজের জন্য কাজ করেছিলেন, কীভাবে ২৫ হাজারেরও বেশি পঞ্জাবিদের সঙ্গে হয়ে যাওয়া অপরাধকে তুলে ধরেছিলেন, সেই গল্প সকলেরই জানা উচিত বলে মনে করেন, শিখ গুরুদ্বার ম্যানেজমেন্ট কমিটি। সেই কারণে কোনও ওয়েব প্ল্যাটফর্মের সমর্থন না পেলেও, এই ছবি যাতে গ্রামের মানুষদের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়, সেই চেষ্টাই করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এই বিষয়ে একটি ট্যুইট ও করেছেন, সুখবীর সিং বাদল।